চকরিয়ায় ছড়া-খালে বালু উত্তোলন হুমকির মুখে পরিবেশ, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে চিংড়িজোনের শাখাখালে এবার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে লবনাক্ত বালু উত্তোলন করছে একটি চক্র। পাশাপাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন পাহাড়ি জনপদের ছড়াখালে একই পদ্ধতিতে চলছে বালু লুটের মহোৎসব। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যনত্ম মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করলেও সংশিস্নষ্টরা কোন পদড়্গেপ নিচ্ছেন না বলে জানায় স’ানীয়রা। পড়্গানত্মরে বনবিভাগ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে কর্তৃপড়্গ স্বীকার করেছেন এটি সম্পূর্ণ অবৈধ কাজ।সংশিষ্ট কর্তৃপড়্গ না জানলেও অবৈধ বালি উত্তোলন খুটাখালির মানুষের কাছে ‘ওপেন সিক্রেটে’ পরিণত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডবাসীর পড়্গে প্রশাসন বরাবর লিখিত একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন’ তারপরও এই এলাকা থেকে লবণাক্ত বালি উত্তোলন চলছেই। এলাকাবাসী জানায়, অবৈধভাবে লবনাক্ত বালি উত্তোলনের ফলে চরম ড়্গতির সম্মুখীন হচ্ছে ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিরাট একটি অংশ। যে অংশে রয়েছে শত শত জনবসতি। সরকারি-বেসরকারি শিড়্গা প্রতিষ্ঠান, সড়ক উপসড়ক।স’ানীয় বাসিন্দারা জানায়,মেশিনের শব্দে শব্দ দূষণ হচ্ছে। প্রকৃতির ভারসাম্য হারানোর শঙ্কা দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। এ স’ান থেকে ডাম্পার চলাচলে নষ্ট হচ্ছে সড়ক। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন মেধাকচ্ছপিয়া তলিয়াঘোনা থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যনত্ম মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলনকৃত এসব বালু ডাম্পারের মাধ্যমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। বালু উত্তোলনে জড়িতরা বলেন, আমরা একই জায়গা থেকে বালি উত্তোলন করছি না। বিভিন্ন এলাকা থেকে বালি তুলছি। অতি উৎসাহী কিছু মানুষ এ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।তাদের এ কথা মানতে নারাজ ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া ও গর্জনতলিবাসী।

তাদের দাবি একই স’ান থেকে দীর্ঘদিন বালু উত্তোলন করে ডাম্পার করে পাচার করায় সড়কের বেহাল দশা হয়েছে।এ বিষয়ে স’ানীয় এক জনপ্রতিনিধি বলেন, যেই বালু তুলুক আর যে কারনেই বালি তুলুক না কেন এতে এলাকার মানুষের চরম ড়্গতি হচ্ছে। এতে সড়ক ভেঙে যাচ্ছে। এলাকায় শব্দ দূষণ হচ্ছে। ভবিষ্যতের জন্য এটা হুমকির কারণ হতে পারে। বিষয়টি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের হসত্মড়্গেপ কামনা করেন তিনি।ইউনিয়নের গর্জনতলীর বাসিন্দারা জানায়, ট্রাক চলাচল না করার জন্য ট্রাক মালিক কতৃপড়্গকে বলা হলেও তারা কর্নপাত করছেনা। রাতদিন চলছে ডাম্পার। এ অবস’ায় এলাকার মানুষ তাদের জীবনমান রড়্গায় চকরিয়া থানার ওসি, ইউএনও এবং এসিল্যান্ডের হসত্মড়্গেপ কামনা করেছেন।চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরম্নদ্দিন মুহাম্মদ শিবলী নোমান বলেন, খুটাখালী তলিয়াঘোনা থেকে কে বা কারা বালি উত্তোলন করছে সেটা আমার জানা নেই। তবে এটি সম্পূর্ন অবৈধ। কেউ প্রশাসনের অনুমতি নেয়নি। জড়িতদের বিরম্নদ্ধে আইনগত ব্যবস’া নেয়া হবে।