প্রশিক্ষণ কর্মশালা

গ্রাম আদালতের মামলা পরিচালনায় ইউপি সচিবদের ভূমিকা রাখতে হবে

চট্টগ্রামের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান বলেছেন, গ্রাম আদালতের বিচারিক কাজ আইন ও বিধিমালা দ্বারা পরিচালিত হবে এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু প্রায়োগিক দিক বিবেচনা করলে এর ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয়। এক্ষেত্রে আইন ও বিধিমালার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি। গ্রাম আদালতে মামলা নেয়ার ক্ষেত্রে জমির মালিকানা নির্ধারণের মামলা কিংবা ৭৫ হাজার টাকার অধিক মূল্যমানের মামলা নেয়া যাবে না। সম্পদের মূল্য ৭৫ হাজার টাকার বেশি হলে ও উভয় পক্ষ গ্রাম আদালতে নিস্পত্তি করতে আগ্রহী হলেও গ্রাম আদালত মামলা নিতে পারবে না। গ্রাম আদালতে নিস্পত্তিকৃত মামলার সাক্ষীর জবানবন্দি লিখিতভাবে থাকার কথা থাকলে ও তা যথাযথভাবে মেনে চলা হচ্ছে না। উচ্চ আদালত থেকে কোন মামলা ইউনিয়ন পরিষদে প্রেরণ করা হলে তা গ্রহণ করে পক্ষগণকে নোটিশ প্রদান করতে হবে। পক্ষদ্বয় নোটিশে সাড়া না দিলে উক্ত ফাইল পুনরায় উচ্চ আদালতে প্রেরণ করতে হবে। গ্রাম আদালতের মামলা পরিচালনা ও যথাযথ ডকুমেন্টস সংরক্ষণে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও গ্রাম আদালত সহকারীদের যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে। নগরীর স্টেশন রোডের এক হোটেলে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিব ও গ্রাম আদালত সহকারীদের ৫দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের তৃতীয় দিনে গেস্ট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ইউএনডিপির আর্থিক সহায়তায় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (পর্যায়-২) প্রকল্পের আওতায় জেলা প্রশাসন এ কর্মশালার আয়োজন করেন। প্রশিক্ষণ কোর্সে অন্যদের মধ্যে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত থেকে সেশন পরিচালনা করেন পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত মো. জসীম উদ্দিন খান, বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর উজ্জ্বল কুমার দাস চৌধুরী ও ব্লাস্টের জেলা সমন্বয়কারী সাজেদুল আনোয়ার ভূইয়া।
প্রশিক্ষণে ফটিকছড়ি উপজেলার ১২ জন ইউয়িনয়ন পরিষদ সচিব, ১২ জন গ্রাম আদালত সহকারী ও লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়ন পরিষদের সচিবসহ মোট ২৫জন অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি