‘ক্রিকেটারদের নিয়ে খুবই দুশ্চিনত্মায় ছিলাম’

সুপ্রভাত ক্রীড়া ডেস্ক

কদিন আগে তিনিও ছিলেন দলের সদস্য। বাংলাদেশ ওয়ানডে দল খেলেছে তারই নেতৃত্বে। সিরিজ শেষ করে মাশরাফি বিন মর্তুজা চলে আসেন দেশে। রয়ে যান টেস্ট দলের সদস্যরা। নিউজিল্যান্ডে আজ ভয়ংকর এক ঘটনা ঘটে গেল তামিম, মুশফিক, মিরাজদের সঙ্গে। মসজিদে যাচ্ছিলেন তারা জুমার নামাজ পড়তে। এমন সময় দেখেন কয়েকজন রক্ত মাখা শরীর নিয়ে মসজিদ থেকে বেরোচ্ছেন। মসজিদে ঢোকার ঠিক আগমুহূর্তে অজ্ঞাত এক নারী এসে তামিমদের সতর্ক করে জানান যে মসজিদের ভেতরে গোলাগুলি হচ্ছে, এখন ভেতরে যাওয়া ঠিক হবে না। ওই গোলাগুলির ঘটনায় এখন পর্যনত্ম প্রাণ গেছে ৪৯ জনের, অনেকেই আহত। আর ৩-৪ মিনিট আগে মসজিদে পৌঁছলে খারাপ কিছু ঘটে যেতো তামিম, মুশফিকদের সঙ্গেও। সৃষ্টিকর্তার দয়ায় তারা বেঁচে গেছেন। খবর জাগোনিউজ’র।
নিউজিল্যান্ডের মসজিদে এই সন্ত্রাসী হামলার খবর পেয়ে আর সবার মতো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাও। তবে ক্রিকেটাররা নিরাপদে আছেন, জানার পর কিছুটা স্বসিত্ম অনুভব করছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে সন্ত্রাসী হামলার বিষয়ে নিন্দা প্রকাশ করেছেন মাশরাফি। সেইসঙ্গে ক্রিকেটাররা যাতে দ্রম্নত দেশে ফিরে আসতে পারেন, সেই কামনাও করছেন তিনি।
মাশরাফি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে আল নূর মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় দুজন বাংলাদেশিসহ বহু মানুষের নিহত হবার খবর পাচ্ছি! আমি এমন সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। ঘটনাটি শোনার পর থেকে আমাদের ক্রিকেটারদের নিয়ে খুবই দুশ্চিনত্মায় ছিলাম। আলস্নাহ’র অশেষ রহমতে আমাদের ক্রিকেটাররা বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেয়েছেন। তারা নিরাপদে আছেন।
শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে আর একটু আগে মসজিদে গেলে শোকাবহ পরিসি’তি তৈরি হতে পারতো! আলস্নাহ সহায় হয়েছেন। আশা করছি, আমাদের ক্রিকেটাররা দ্রম্নতই নিরাপদে দেশে ফিরে আসবেন।’