ইভিএমে ভোট মহড়া শুরম্ন

কোতোয়ালী-বাকলিয়া আসনে ১৯৫টি বুথ বাড়ানো হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলড়্গে চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালী-বাকলিয়ায় ইভিএমে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ভোট দেওয়ার মহড়া শুরম্ন হয়েছে। ভোটারদের ইভিএমে প্রশিড়্গিত করে তুলতে চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে গতকাল শনিবার দিনব্যাপী এ মহড়া চলে। এ আসনের ২২ নম্বর এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের চারকেন্দ্রে মহড়া শুরম্ন হয়। বসানো হয়েছে ৪ সেট ইভিএম।
আজ রোববারও ৪টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট মহড়া চলবে। পর্যায়ক্রমে এ আসনের প্রতিটি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম চালানো হবো। ভোটারদের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি দেখাতে চার কেন্দ্রে আছেন দশজন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট। মহড়ায় ভোটারদের সাড়া পাওয়া গেছে বলেও নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
যে চারটি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট মহড়া চলছে সেগুলো হলো-চসিকের ২২ নম্বর এনায়েত বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়, রেলওয়ে হাসপাতাল কলোনি, এনায়েত বাজার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন অপর্ণা চরণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
অপর্ণাচরণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ১টা থেকে ইভিএমে ভোট মহড়া শুরম্ন হয়। এখানে কথা হয় টেকনিক্যাল এক্সপার্ট মো. আরাফাত হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, ‘ইভিএমে কিভাবে ভোট দিতে হয়, তা আমরা ভোটারদের দেখাচ্ছি। আজ (শনিবার) ৩০-৪০ জন ভোটার ইভিএমে ভোট প্রদান শিখে গেছেন।’
এক প্রশ্নে জবাবে আরাফাত বলেন, ‘যে কেন্দ্রে ইভিএম বসানো হবে, সে কেন্দ্রের ভোটারদের তথ্য ইভিএমে এন্ট্রি করতে হবে। তারপর ডামি ভোট দেওয়া যাবে। এখন ভোটাররা ইভিএমে ডামি ভোট দিতে পারবেন না। আমরা নিজেরা ভোট দিয়েই দেখাচ্ছি।’
জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মুনির হোসাইন খান বলেন, ‘ইভিএম প্রদর্শনীতে ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। প্রচুর ভোটার আসছে। পর্যায়ক্রমে কোতোয়ালী আসনের প্রতিটি ওয়ার্ডে ইভিএমে ভোট মহড়ার আয়োজন করা হবে। ভোটারদের ইভিএমে ভোট দেওয়ার সিস্টেম শিখানো হবে।’
এদিকে, কোতোয়ালী-বাকলিয়া আসনে বুথ সংখ্যা/ভোট কড়্গের আরো ১৯৫টি বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এ আসনে বুথের সংখ্যা ছিল ৭২৫টি। এখন মোট বুথের সংখ্যা হলো ৯২০টি। আর কেন্দ্রের সংখ্যা আগের মতোই ১৪৪টি আছে। এ বিষয়টি জানিয়ে গতকাল শনিবার নির্বাচন সচিব বরাবর দাপ্তরিক পত্র দিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগরীর ৬টি আসনের রিটার্নিং অফিসার বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান।
এ আসনে ৫ শতাংশ অতিরিক্তসহ মোট ১৫১ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৯৬৬ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৯৩২ জন পোলিং অফিসার ভোট গ্রহণে কাজ করবেন।