চকরিয়া

কীটনাশকে ধানখেত নষ্ট করলো দুর্বৃত্তরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, চকরিয়া

চকরিয়ায় কীটনাশক দিয়ে কৃষকের ধানখেত নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের সুজইল্যাকাটা-করইতল্যারচর এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা। এতে ওই কৃষক আনুমানিক ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন। গতকাল বিকালে চকরিয়া প্রেসক্লাবে উপসি’ত হয়ে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন উপজেলার সুরাজপুর এলাকার বাসিন্দা ভুক্তভোগী কৃষক দেলোয়ার হোসেন।
কৃষক দেলোয়ার জানান, বোরো মৌসুমে স’ানীয় গোলাম মোস্তাফা বাদশার মালিকানাধীন ৭ কানি জমি বর্গাচাষি হিসেবে চাষ করে আসছি। গত ১০ অক্টোবর স’ানীয় একদল দুর্বৃত্ত রাতের আঁধারে চাষ করা জমিতে কীটনাশক ছড়িয়ে দেয়। পরদিন ধানখেতে গিয়ে দেখতে পাই থোড় আসা ধান গাছগুলো নুইয়ে পড়েছে এবং ধানগাছ লালচে হয়ে গেছে।
কৃষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার পর বিষয়টি স’ানীয় চেয়ারম্যানকে অবগত করে স’ানীয় মীর কাশিমকে বিবাদি করে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করি। ইউএনও বিষয়টি চকরিয়া থানার ওসিকে তদন্ত করে ব্যবস’া নেয়ার নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগী দেলোয়ার আরো বলেন, কয়েকদিন আগে কীটনাশক প্রয়োগে ক্ষতিগ্রস্ত ধানকর্তন করতে তিনি জমিতে যান। ওই সময় অভিযুক্ত একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত ইউছুফ আলীর ছেলে মীর কাশিম কর্তনের আগে তাকে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে জানিয়ে ধানকর্তনে বাধা দেন। এমন কি টাকা না দিলে ধানকর্তন করতে দেবে না মর্মে হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হোসেন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কৃষকের দায়ের করা অভিযোগটি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস’া নিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেলে অবশ্যই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস’া নেওয়া হবে।