কর্মসংস্থান বাড়াতে প্রযুক্তি সমৃদ্ধ জ্ঞান অর্জন করতে হবে : মেয়র

বিজ্ঞপ্তি

ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ অনুষ্ঠান জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির আয়োজনে আইসিটি এবং ফেসবুক সহযোগিতায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। অনুষ্ঠানে ইউএনডিপি’র ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর কিউকো ইউকো সুকা, সহকারী ডিরেক্টর মাহমুদা আফরোজ, প্রজেক্ট ম্যানেজার রবার্ট স্টোলম্যান, আইসিটি’র ডিভিশনাল অ্যাডভাইজার পিনা জাবিন, কমনওলেথ ইউকে’র আসান আলী, ফেসবুক সাউথএশিয়া পলিসি ম্যানেজার দেবিকা মালিক এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, সিটি মেয়রে একানত্ম সচিব মুফিদুল আলম, প্রধান পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিমসহ ইউএনডিপি বাংলাদেশ, ফেসবুক, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ও আইসিটি ডিভিশনের প্রতিনিধিবৃন্দএবং অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিপুল সংখ্যক প্রতিযোগীবৃন্দ উপসি’ত ছিলেন।
এসময় মেয়র বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তি দেশের সীমানা পেরিয়ে মানুষকে নতুন করে ভাবতে ও দেখতে শিখিয়েছে। বিশ্ব এখন আড়্গরিক অর্থেই হাতের মুঠোয়। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র সুচিনিত্মত পদড়্গেপের ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লড়্গ্য অর্জন করেছি।
তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার আমাদের জীবনযাত্রাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির বিসত্মারের সাথে সাথে মানুষের কর্মসংস’ানও বাড়ছে। দেশের কর্মসংস’ান বাড়াতে হলে তথ্য প্রযুক্তি সমৃদ্ধ জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
মেয়র আরও বলেন, ডেলয়েট পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায় যে, ২০১৫ সালে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত শুধু ফেসবুক ব্যবহার করে প্রতি বছর ৪ বিলিয়ন ডলার আয় করে থাকেন। কর্মসংস’ান হয় প্রায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার। পড়্গানত্মরে বাংলাদেশ এড়্গেত্রে পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশ বিশ্বে ফেইসবুক ব্যবহারে উলেস্নখযোগ্য স’ান দখল করে থাকলেও আমাদের দেশে কতিপয় লোক ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানোর কাজে। ডিজিটাল পন’ায় মোকাবিলার মাধ্যমে এ অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
তিনি আশা করেন তরম্নণদের এই উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার বাসত্মবায়নের মাধ্যমে আমরা আমাদের সমপ্রীতি ও সহনশীলতার ঐতিহ্যকে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো। পরে মেয়র বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।