কর্মকেন্দ্রিক ডিপ্লোমা শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম : ইউএসটিসি উপাচার্য

চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া বলেন, সাধারণ শিক্ষা সংকোচন করে কর্মকেন্দ্রিক ডিপ্লোমা শিক্ষার গুরুত্ব বাড়ানো প্রয়োজন। প্রতি বছর দেশে ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করে। তার বেশির ভাগই অদক্ষ। তাদের দক্ষতা অর্জনের বড় চ্যালেঞ্জই হচ্ছে ডিপ্লোমা শিক্ষা। গ্রামভিত্তিক ছোট মাঝারী শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে সহযোগিতা করতে হবে।
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সম্প্রতি জাতীয় ডিপ্লোমা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরের কথাগুলো বলেন। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যক্ষ ডা. আবদুল করিম। অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু পেশজীবী পরিষদের আহ্বায়ক মাহফুজুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডা. সিরাজুল ইসলাম বাচ্চু, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সমিতির চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াছ চৌধুরী, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মো. আবুল হাসান। ডিপ্লোমা শিক্ষা দিবস উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক যদুনাথ দত্তের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান সমন্বয়ক খন রঞ্জন রায়। ডিপ্লোমা পেশাজীবী সংগঠনসমূহের প্রতিনিধির বক্তব্য রাখেন ডা. আবুল মনসুর চৌধুরী, অধ্যক্ষ কে এম মুসা, মো. শহিদ উলাহ, অধ্যক্ষ ডা. মো. নুরুল আমিন, তসোয়ার হোসেন, নাজিম উদ্দীন, শহীদুল ইসলাম চৌধুরী দুলদুল, কাতালগঞ্জ বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ অধ্যাপক উপানন্দ মহাথের, অধ্যক্ষ মাকসুদা বেগম প্রমুখ। এতে ১১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে সম্মাননা জানানো হয়। তারা হলেন- ডা. সালেহ আহমেদ সুলেমান, অধ্যক্ষ কে এম মুসা, ডা. আবু বক্কর সিদ্দিকী, সাবেক অধ্যক্ষ মিনারা খানম, ইঞ্জিনিয়ার একেএম মকবুল হোসেন খান, মো. শহীদুলাহ, রূপনা চৌধুরী, ডা. তপন কুমার নন্দী, আবদুল মোতালেব, মো. আলতাফ হোসেন, শুভাশীষ বড়ুয়া রাজু। এছাড়া বিভিন্ন ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরিদ্র মেধাবী ২০ জন শিক্ষার্থীকে বছরের শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়। বিজ্ঞপ্তি