‘ওপর মহলের নির্দেশেই ইন্টারনেটের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনা হয়েছে’

সামাজিক গণমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হওয়ায় ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখা তথা কার্যত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখা হয়। কার্যত এসময় দেশ ইন্টারনেট যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। সাড়ে দশটার পরে ইন্টারনেট ফের সচল হলে সামাজিক গণমাধ্যমগুলোতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীরা। এছাড়া সফটওয়্যার রফতানিকারকদের সংগঠন বেসিস, কল সেন্টার ও আউটসোর্সিং অ্যাসোসিয়েশন বাক্যসহ ইন্টারনেটভিত্তিক কাজের সঙ্গে জড়িতরা সরকারের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলাপ করে ইন্টারনেট সেবা সচল রাখার অনুরোধ জানায়। মূলত এসব কারণে সরকার আগের সিদ্ধান্ত স’গিত করে ইন্টারনেট সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দেয় বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে সংশ্লিষ্টরা আরও বলছেন, ‘সরকারের ওপর মহলের নির্দেশেই ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিকের পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।’ তবে এ বিষয়ে কেউই নিজেকে উদ্ধৃত করে কথা বলতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির বলেন, ‘গতরাতে পরীক্ষামূলকভাবে ইন্টারনেট আধাঘণ্টা বন্ধ রাখার পরে সফটওয়্যার ও সেবাখাতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। চারদিক থেকে অসন্তোষের খবর আসতে তাকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা রাতেই ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সমস্যা তুলে ধরি ও ইন্টারনেট সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য অনুরোধ করি।’