এলডিসি থেকে বাংলাদেশের বেরিয়ে আসা হবে ইতিহাস

বিজ্ঞপ্তি

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রেনজি তিরিংক গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাড়্গাৎ করেন। এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য উপদেষ্টা আবু সাইয়েদ মো. বেলাল, স্পেনের রাষ্ট্রদূত আলবারো ডিসালাস, নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত হেরি ভারম্নইজ, ইটালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনজিয়াতা, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব মো. আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমদ, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম উপসি’ত ছিলেন।
ইইউ রাষ্ট্রদূতগণ মেয়র কার্যালয়ে পৌঁছালে মেয়র তাদেরকে স্বাগত জানান এবং ফুলেল শুভেচ্ছাসহ সিটি করপোরেশনের মনোগ্রামখচিত ক্রেস্ট উপহার দেন। প্রতিনিধিদলের নেতা তিরিংক বলেন, ইইউ বাংলাদেশের শিড়্গাখাতে বড় অংশীদার। এ সময় ইইউ দূতের সাথে থাকা অন্যারা বাংলাদেশের সমসাময়িক উন্নয়ন ও রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রতিনিধিদলের নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। পোশাকশিল্প, মৎস্য, জনশক্তি, কৃষি ও শিল্পাঞ্চলসহ বহু সেক্টর দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদকে মজবুত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। তিনি আরো বলেন, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের পরিবর্তন লড়্গণীয় এবং এখানে উন্নত নগরায়নণ ঘটেছে। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর শহর। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ, সাগর-নদী মানুষকে আকৃষ্ট করে। প্রতিনিধিদলের নেতা তিরিংক সিটি মেয়রের কাছে বর্তমান নগরীর চ্যালেঞ্জ ও সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে মেয়র বলেন, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও যোগাযোগ ব্যবস’া বড় সমস্যা। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এ পরিকল্পনা অনুযায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের লড়্গে ড্রেনেজ মাস্টার পস্ন্যানসহ অপরাপর খালসমূহ গভীর ও প্রশসত্ম করার প্রসত্মাব রাখা হয়েছিল। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দূর্যোগে চট্টগ্রাম সবচেয়ে বেশি ড়্গতিগ্রসত্ম হয়। কর্ণফুলী নদী ভরাট, সাগর সমতলের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এসবের ঁ
বিরূপ প্রভাব পড়েছে। মেয়র প্রতিনিধিদলকে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকা, ভূপ্রাকৃতিক অবস’ান, জনসংখ্যা, নগরীর শিড়্গা কার্যক্রম, সিটি করপোরেশনের নাগরিকসেবা, নগর উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
মেয়র বলেন, বর্তমানে একটি মাস্টাার পস্ন্যান নবায়নের কাজ চলছে। এই পরিকল্পনায় চট্টগ্রাম নগরীকে একটি আনত্মর্জাতিকমানের বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ড়্গেত্রে পর্যাপ্ত দিকনির্দেশনা থাকবে।
এ প্রসঙ্গে প্রতিনিধিদলের নেতা তিরিংক অর্থনতির সুফল দেশের সকল মানুষের মধ্যে সমবণ্টন করার ওপর গুরম্নত্বারোপ করে বলেন, প্রবৃদ্ধির সুফল সকলের মধ্যে সুষমভাবে বণ্টন নিশ্চিত করা না গেলে দারিদ্র্য পুরোপুরি বিমোচন হবে না। রাষ্ট্রদূত ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যআয়ের দেশ এবং ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসির অবস’ান থেকে বেরিয়ে আসার বাংলাদেশের ভিশন ও পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জন্য এটি হবে একটি ইতিহাস।