এম এ হান্নানের স্মরণসভায় বক্তারা ইতিহাস বিকৃতিকারীরা সফল হবে না

বিজ্ঞপ্তি
1

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা নতুন ইতিহাস সৃষ্টির কাজে তৎপর ছিল। জাতীয়তাবাদী চেতনায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ধারাবাহিক লড়াই-সংগ্রামে যারা সেদিন বঙ্গবন্ধুকে সুপরামর্শ দিয়েছেন, রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদেরই একজন এম এ হান্নান। তিনি তৎকালীন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পরবর্তীতে সভাপতি হিসাবে সেই দুঃসময়ে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করলে সেই ঘোষণা চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র হতে তিনি প্রথম পাঠ করে জনমনে সেদিন স্বাধীনতার পক্ষে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়া এরশাদ গং স্বাধীনতা ইতিহাস বিকৃতি করে সত্য ইতিহাসকে কলংকিত করেছে। এটা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। সে সময় এম এ হান্নানদের মতো নেতাদের উত্থান ও অবদানের ফলে দল, জাতি ও দেশ উপকৃত হয়েছিল।
গতকাল ১২ জুন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রথম পাঠকারী, চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, ইতিহাস তার সঠিক পথ ধরে চলে, এই পথে অন্তরায় বা বিকৃতি সৃষ্টিকারীরা কামিয়াব হবে না। ইতিহাস তাদের ক্ষমা করে না। বাংলাদেশে আজ বিএনপি-জামাতের দুর্বল ক্ষয়িষ্ণু রাজনীতি তার প্রমাণ দিচ্ছে। যে কোন দেশের খন্ডিত ও বিকৃত ইতিহাস জাতিকে মর্যাদাহীন করে তোলে। অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করে। আমাদের অতীতের গৌরব রক্ষা করে জাতির মর্যাদা উচ্চাসনে প্রতিষ্ঠা করতে আওয়ামী লীগ কখনোই অবহেলা করে না।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ শ্রম সম্পাদক খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আলহাজ আবু জাফর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য চেয়ারম্যান নাছির আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা শৈবাল বড়-য়া, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেম, শাখাওয়াত হোসেন সিবলী, আবুল কালাম, বেলাল উদ্দিন, কৃষকলীগ নেতা মো. ইলিয়াছ, আসিফ ইকবাল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা উজ্জ্বল ধর প্রমুখ।