‘এক সময় পার্বত্য এলাকায় জীববৈচিত্র্যের সমাহার ছিল’

নিজস্ব প্রতিনিধি, জুরাছড়ি

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত আদিবাসী কর্তৃক সংরক্ষিত প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট তিন শতাধিক সাধারণ বন রয়েছে। এসব বন যথাযথ সুরক্ষা করা সম্ভব হলে জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি নিরাপদ পানীয়জল ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হতো।
গত মঙ্গলবার সিএইচটিডিএফ-ইউএনডিপির অর্থায়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস’া টংগ্যার উদ্যোগে জুরাছড়ি উপজেলা বিশ্রামাগারে সাব-ডিস্ট্রিক্ট পর্যায়ে ভিসিএফ নেটওয়ার্ক কমিটি গঠনকালে বক্তারা একথা বলেন।
সভায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস’া টংগ্যার প্রকল্প সমন্বয়কারী পলাশ খীসার ধারা সঞ্চলনায় রাঙামাটি সিএইচটি ভিসিএফ- নেটওয়ার্ক সভাপতি নবদ্বীপ চন্দ্র দেওয়ানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিটন চাকমা, বিশেষ অতিথি সিএইচটি ভিসিএফ-নেটওয়ার্ক কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি তোয়া অং মারমা, জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ক্যানন চাকমা, বনযোগীছড়া ইউপি চেয়ারমান সন্তোষ বিকাশ চাকমা উপসি’ত ছিলেন। সভার প্রথমার্ধে ভিসিএফ নেটওয়ার্ক কমিটি গঠনপ্রণালি ও গঠনতন্ত্র উপস’াপন করা হয়। এক পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করে উপজেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি ও জুরাছড়ি মৌজার ঘিলাতলী গ্রামের কারবারি অনিল কুমার চাকমাকে সভাপতি ও বিএনপির অর্থ সম্পাদক এবং এরাইছড়ি মৌজার বড়ইতলীর নবীন কারবারি রিটেন চাকমা ও জ্যোৎস্না চাকমাসহ ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় নির্বাচিত সদস্যদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শপথ পাঠ করান সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও সিএইচটি ভিসিএফ-নেটওয়ার্ক কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সভাপতি সুরেশ কুমার চাকমা। সভায় বক্তারা বলেন, এক সময় পার্বত্য এলাকায় জীববৈচিত্র্যের সমাহার ছিল। কালের গ্রাসে প্রকৃতিকে ধ্বংসের কারণে এসব আজ বিলুপ্তি পথে। পাহাড়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কর্তৃক প্রথাগতভাবে প্রাকৃতিক বন সংরক্ষণ সম্ভব হলে আবারো জীববৈচিত্র্য ফিরে আসবে।