উৎসবমুখর পরিবেশে দেশগ্রামে উন্নয়নমেলা

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী সরকারের বিকল্প নেই

দেশগ্রাম ডেস্ক

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় দেশগ্রামের বিভিন্নস্থানে চলছে উন্নয়ন মেলা। মেলা উপলক্ষে আয়োজিত সভায় বক্তারা বলেন,দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী সরকারের কোন বিকল্প নেই। এ সরকারের আমলে দেশের শিল্প,কৃষি ও অর্থনীতিতে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে পুনরায় আওয়ামী সরকারকে ক্ষমতায় আনতে হবে।
বান্দরবান: আমাদের বান্দরবান প্রতিবেদক জানায়, বান্দরবানে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড এবং উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে ৩ দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা শুরু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসন চত্বরে উন্নয়ন মেলার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব অপরুপ চৌধুরী। জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে সেনাবাহিনীর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন, পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মহিদুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামানসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তার আগে উন্নয়ন মেলাকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। “উন্নয়নের রোল মডেল, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্য বিষয়ে আয়োজিত শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
আয়োজকরা জানায়, মেলায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা, সংগঠনের ৭৪টি স্টল স্থান পেয়েছে। আগামীকাল রোববার পর্যন্ত মেলা চলবে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলাকে ঘিরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে।
বোয়ালখালী: আমাদের বোয়ালখালী প্রতিনিধি জানায়,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরতে বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিনদিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা শুরু হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আতাউল হক। উদ্বোধনের পর বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন।
কৃষিবিদ আবু জাফর মো. মঈনুদ্দিনের স্বাগত বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ওবাইদুল হক হক্কানি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিদা আকতার শেফু, সহকারি কমিশনার (ভুমি) ফোরকান এলাহী অনুপম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আমিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা এসএম সেলিম, পৌরসভা আ.লীগের আহবায়ক জহুরুল ইসলাম জহুর, জাসদ সভাপতি মনির উদ্দিন খান ও আ.লীগ নেতা রেজাউল করিম বাবুল। এ মেলায় উপজেলার ৩৮টি দপ্তরের ৩৫ স্টল অংশ নিয়েছে।
দীঘিনালা :আমাদের দীঘিনালা প্রতিনিধি জানায়, “উন্নয়নের রোল মডেল, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে দীঘিনালা উপজেলায় সারা দেশের ন্যায় শুরু হয়েছে, তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা ২০১৮। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার মেলা উপলক্ষ্যে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা কমপ্লেক্স থেকে শুরু হয়ে উপজেলার লারমা স্কোয়ার প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.শেখ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নব কমল চাকমা।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. একরামুল আজম, দীঘিনালা প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রাজু, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিনহাজ উদ্দীন, উপজেলা পল্লি সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ইকো তালুকদার, উপজেলা মৎস কর্মকর্তা অর্বনা চাকমা, উপজেলা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আবাসিক প্রকৌশলী অশোক কুমার দাশ, দীঘিানালা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান, ২নম্বর বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা, এবং উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো. মাইন উদ্দীন প্রমূুখ।
জুরাছড়ি: আমাদের জুরাছড়ি প্রতিনিধি জানায়, উপজেলা পরিষদের প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মেলায় প্রতিটি স্টলে লোকজনদের তাদের সেবা ও কার্যক্রম তুলে ধরছে স্টলের স্ব-স্ব কর্মকর্তারা। তবে এবছর উন্নয়ন মেলায় ব্যতিক্রম ২টি স্টল সাজানো হয়েছে। একটি সহকারী শিক্ষিকাদের উদ্যোগে শীতের পিঠা ঘর ও অন্যটি সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আদর্শ পিঠার স্টল।
দক্ষিণ-পশ্চিমে ২৬ নম্বর স্টলে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। দর্শনার্থীদের একটি সূখী পরিবার গঠনে জম্ম নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে ধারণা প্রদান করছেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল আলম। ২৭ নম্বর স্টলে স্বাস্থ্য বিভাগ। এখানে ল্যাব টেকনিশিয়ান রহিনী চন্দ্র চাকমা বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ পরীক্ষা করে দিচ্ছেন। অন্যদিকে একজন কমিনিউটি মেডিক্যাল এক কর্মকর্তা রক্তচাপ পরীক্ষা করে দিচ্ছেন। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিপাশ খীসা স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে বিভিন্ন আলোকপাঠ করতে দেখা যায়।
এদিকে ২নম্বর স্টলে জুরাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ। বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র নিয়ে সাজিয়েছেন স্টল। রয়েছে বিভিন্ন সচেতনতামূলক ফেস্টুনও। এখানে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব অনিল কুমার চাকমা ও উদ্যোক্তা ইউনিয়ন পরিষদে বাস্তবায়িত ও বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচী উপস্থাপন করছেন। এছাড়া সহজে ইউনিয়ন ডিজিটেল সেন্টার থেকে সরকারি সেবা কি ভাবে পাওয়া যায় উপস্থাপন করছেন উদ্যোক্তা। স্টলে সাজানো হয়েছে বাস্তবায়নাধীন এলজিএসপির-৩ কর্মসূচীর দরিদ্র বেকার নারীদের জন্য সেলাই মেশিন ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কুল ব্যাগ। গত বৃহস্পতিবার জুরাছড়ি উপজেলা পরিষদ প্রঙ্গনে উন্নয়ন মেলায় এই চিত্র দেখা যায়। দেশের উন্নয়নের চিত্র জনগণের কাছে তুলে ধরতে তিন দিনব্যাপী চলা এই মেলার আয়োজন করেছে উপজেলা প্রশাসন। সারা দেশের মত সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেলার উদ্বোধন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেলার উদ্ভোধনের পরে রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্‌্রাক্টর মো. মরশেদুল আলমের ধারা সঞ্চলনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাশেদ ইকবালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান উদয় জয় চাকমা, বিশেষ অতিথি জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ক্যানন চাকমা, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল বাছেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিপাশ খীসা, যক্ষা বাজার ক্যাম্প অধিনায়ক সিনিয়র ওয়ারেন্ড অফিসার মো. হজরত আলী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মেলায় অংশগ্রহণ করে জুরাছড়ি, বনযোগীছড়া, মৈদং ও দুমদুম্যা ইউনিয়ন ডিজিটেল সেন্টারের প্রতিনিধিগণসহ ৩৮টি স্টলের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান উদয় জয় চাকমা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্য্রমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষে ১০টি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণার মাধ্যমে দেশকে সামনে দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
সভপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী গত ১৩ বছরের অগ্রগতি ও উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। সবাই এই উন্নয়নের অংশ। এই অর্জন সবার। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে সকলের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গরে তুলা হবে। তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলায় সমাপনী অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক কুইজ, আলোচনা, বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা।
খাগড়াছড়ি: আমাদের খাগড়াছড়ি প্রতিবেদক জানায়, ’উন্নয়নের গণতন্ত্র, শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র’ এ প্রতিপাদ্যে খাগড়াছড়িতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা। গত বৃহস্পতিবার সকালে খাগড়াছড়ি টাউন হল প্রাঙ্গণে এ মেলার উদ্বোধন করেন ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান, ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম সালাহউদ্দিন।
মাটিরাঙা :আমাদের মাটিরাঙা প্রতিনিধি জানায়,গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় খাগড়াছড়ির মাটিরাঙায় শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করেন ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি। এর আগে মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি. এম মশিউর রহমান্থর নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মেলা মাঠ থেকে শুরু হয়ে মাটিরাঙা উপজেলা সদরের গুরুত্বপুর্ণ সড়ক ঘুরে পুনরায় মেলা মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
পরে মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি. এম মশিউর রহমান্থর সভাপতিত্বে উন্নয়ন মেলা মঞ্চে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি সরকারের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে পারেন তা বারবার প্রমাণ করেছেন। শেখ হাসিনা স্বপ্ন দেখেন আর স্বপ্নের বাস্তবায়নের মাধ্যমে কাঙ্খিত উন্নয়ন করেন। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পাহাড়ও সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈষম্যহীন উন্নয়নের রোল মডেল।
সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ আলী, মাটিরাঙা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক, মাটিরাঙা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মো: জাকির হোসেন, মাটিরাঙা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুবাস চাকমা, মাটিরাঙা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা ও মাটিরাঙা পৌরসভার কাউন্সিলর মো. আলাউদ্দিন লিটন প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। মাটিরাঙা উপজেলা প্রকৌশলী ও উন্নয়ন মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব মো. আনোয়ারুল হক অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
এসময় খাগড়াছড়ি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. রইচ উদ্দিন ও মাটিরাঙা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হারুনুর রশীদ ফরাজীসহ প্রশাসেনর বিভাগীয় কর্মকর্তা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মাটিরাঙা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জেলার সর্ববৃহত এ উন্নয়ন মেলায় উপজেলা প্রশাসন, বিদ্যুৎ বিভাগ, বনবিভাগ, মৎস্য অফিস, প্রকৌশল বিভাগ, প্রাণিসম্পদ বিভাগ, কৃষি বিভাগ, একটি বাড়ি-একটি খামার ও মাটিরাঙা পৌরসভা ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ মিলে অন্তত ৬০টি স্টল স্থান পেয়েছে। পরে ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি উন্নয়ন মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন ও মেলায় অংশগ্রহণকারীদের সাথে কথা বলেন।
লংগদু : আমাদের লংগদু প্রতিনিধি জানায়, ‘‘উন্নয়নের গণতন্ত্র শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র’’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার প্রশাসনের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা-২০১৮ উদ্বোধন হয়েছে।
গত ১১ জানুয়ারি লংগদু উপজেলা পরিষদের মাঠে এই মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২১টি স্টল প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেলার উদ্বোধন করা হয়।
লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মোসাদ্দেক মেহেদী ইমাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন, নুরজাহান বেগম, লংগদু থানা অফিসার ইনচার্জ রঞ্জন কুমার সামন্ত,লংগদু প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. এখালাস মিঞা খানসহ বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ, ইউপি চেয়ারম্যান, শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী ও এলাকার জনসাধারণ এসময় উপস্থিত উন্নয়ন মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রাজস্থলী: আমাদের রাজস্থলী প্রতিনিধি জানায়,রাজস্থলী উপজেলায় গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নমেলা উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান উথিনসিন মারমা এ মেলা উদ্বোধন করেন। এসময় উপিস্িথত ছিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুশফিকুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অংনুচিং মারমা ও থানা দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম মাহাবুবুল আলম। এছাড়া উপজেলা বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও বেসরকারি সংস্থা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মেলায় সরকারি-বেসরকারি প্রায় ২৫টি প্রতিষ্ঠান সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড সর্ম্পকে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেকটি ষ্টলে সন্ধ্যায় প্রজেক্টর মাধ্যমে বিভাগীয় উন্নয়ন কর্মকান্ড সর্ম্পকে প্রচার করা হবে। আগত অতিথিদেরকে সরকার উন্নয়ন সর্ম্পকে অবগত করার জন্য কর্মরত কর্মচারীদেরকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চকরিয়া:আমাদের চকরিয়া প্রতিনিধি জানায়,বর্ণাঢ্য আয়োজনে কক্সবাজারের চকরিয়ায় তিনদিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা গত বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এদিন সকাল ১০ টায় চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের পৌর কমিউনিটি সেন্টার মাঠে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশের সাথে চকরিয়া উপজেলার উন্নয়ন মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। মেলায় এবছর অন্তত ৬৮টি স্টল অংশ নিয়েছে।
চকরিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভুমি) খন্দকার মো.ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাতের সভাপতিত্বে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিরাজুল ইসলাম আজাদ, সাফিয়া বেগম শম্পা, গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, মো.আলমগীর চৌধুরী, আমিনুর রশিদ দুলাল, মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, জাহেদুল ইসলাম লিটু, মো.আতিক উল্লাহ, ডা.মোহাম্মদ শাহবাজ, রাকিবুল হাসান, ডা.ফেরদৌসী আক্তার দিপ্তী, কামাল হোসেন, রনি সাহা, জোবায়ের হাসান, জসীম উদ্দিন, শওকত ওসমান, আলহাজ নুরুল আমিন, মোহাম্মদ নোমান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলার বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ জাফর আলম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত)খন্দকার মো.ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাতের নেতৃত্বে অতিথিবৃন্দ মেলায় আগত সরকারি ও বেসরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। চকরিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভুমি) খন্দকার মো.ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত বলেন, তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলায় এবছর উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন, চকরিয়া পৌরসভা, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরসহ সরকারি ও বেসরকারি সেবা প্রদানকারী ৬৮টি প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রথমদিন বিকালে কমিউনিটি সেন্টারের মাঠে উন্নয়ন মেলায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিতর্ক, কুইজ প্রতিযোগিতা,আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় ভূমি অফিস সহ বিভিন্ন অফিসের সরাসরি সেবা প্রদানসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের ব্যাপারে ধারণামুলক তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।