স্পট : কে বি ফজলুল কাদের রোড

উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে চিত্র

৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার প্রকল্পের ৮০ ভাগ কাজ প্রায় শেষ

রুমন ভট্টাচার্য

১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ডের কে বি ফজলুল কাদের রোড উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে। জয়নগরের সামনের রাস্তাটির উপর আবর্জনা পড়ে থাকার সেই চিরচেনা দৃশ্য এখন আর নেই। আবর্জনা পরিষ্কার হয়ে প্রায় ১২ ফুট প্রশস্ততা বেড়েছে রাস্তাটির। এছাড়া জয়নগর ১ নম্বর গলির সামনে থেকে মেডিক্যালের মূল গেইট পর্যন্ত পুরনো জরাজীর্ণ ও ভাঙা ব্রিকট ড্রেইনের পরিবর্তে নতুন আরসিসি ড্রেইন, ভাঙা ফুটপাতের বদলে নতুন ও টেকসই আরসিসি ফুটপাত এবং পাঁচলাইশ থানার দক্ষিণে তৈরি হয়েছে নতুন ড্রেইন। বর্তমানে একটি কালভার্ট নির্মাণের কাজ চলছে।
করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এই উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। রিদিকা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি সম্পাদন করছে। ফজলুল কাদের রোড ও পাঁচলাইশ থানার দক্ষিণ পাশে আরসিসি ড্রেইন নির্মাণে ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ১৫শ মিটার। মেয়াদ দুই বছর। ২০১৭ সালের মে মাস থেকে ২০১৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
গতকাল সরেজমিন দেখা যায়, কেবি ফজলুল কাদের রোডের জয়নগর ১নম্বর গলির সামনে থেকে মেডিক্যালের মূল গেট পর্যন্ত নির্মিত হয়েছে ৭ ফুট প্রশস্ততার আরসিসি ড্রেইন। এছাড়া জয়নগর ১ নম্বর গলি থেকে প্রায় ৩৫০ ফুট জায়গায় বাউন্ডারি ওয়ালও নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এখন উডল্যান্ড ডায়াগণস্টিক সেন্টারের আগে চলছে একটি কালভার্ট নির্মাণের কাজ।
তবে জয়নগর গলির সামনে রাস্তাটি আগের চেয়ে ১২ ফুট প্রশস্ত হলেও কয়েকটি বৈদ্যুতিক খুঁটির কারণে রাস্তা বড় হওয়ার সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।
প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সিটি করপোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজবাহ-উল-আলম সুপ্রভাতকে বলেন, ‘৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার প্রকল্পটির অধীনে পুরনো জরাজীর্ণ ও ভাঙা ব্রিকট ড্রেইনের পরিবর্তে নতুন আরসিসি ড্রেইন নির্মাণ, ভাঙা ফুটপাতের বদলে নতুন ও টেকসই আরসিসি ফুটপাত নির্মাণ এবং পাঁচলাইশ থানার দক্ষিণে নতুন ড্রেইন নির্মাণ করা হয়েছে। আগের ড্রেনগুলো ছিল ৪ ফুটের মত; এখন প্রায় ৭ ফুট প্রশস্ত করা হয়েছে। ফুটপাতের প্রশস্ততাও একই। ফলে ফুটপাতে পথচারীরা যেমন স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারবেন তেমনি ড্রেনগুলোর প্রশস্ততা বাড়ায় পানি নিষ্কাশন নির্বিঘ্ন হয়ে এলাকায় জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ লাঘব হবে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের কাজও প্রায় ৮০ ভাগ শেষ। বাকি কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করছি। এখন একটি কালভার্ট নির্মাণের কাজ চলছে।’
বৈদ্যুতিক খুঁটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘করপোরেশনের বৈদ্যুতিক বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস’ার কথা জানিয়ে একটি ফাইল পাঠানো হয়েছে। আশা করি এক মাসের মধ্যে বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো সেখান থেকে সরে যাবে।’