ইয়াবা, চোরাচালান প্রতিরোধ নাফনদীর বেড়িবাঁধকে সীমানত্ম সড়কে উন্নীত করার প্রসত্মাব

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া            

সীমানত্মরড়্গী বিজিবির নিয়মিত টহলের মানসম্মত পরিবেশ ও বিসত্মীর্ণ সীমানত্ম এলাকা অনুপাতে পর্যাপ্ত লোকবল না থাকার সুযোগে ইয়াবার আগ্রাসন কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না বলে স’ানীয়দের দাবি। বিজিবির কমান্ডিং অফিসার বলছেন, নাফ নদীর বেড়িবাঁধ সীমানত্ম সড়কে উন্নীত করে লোকবল বাড়ানো ও চাহিদামত যানবাহনের ব্যবস’া করা হলে ইয়াবার চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ সময়ের ব্যাপার মাত্র।

সরজমিন আঞ্জুমানপাড়া, রহমতের বিল, দামনখালী, বালুখালী, থাইংখালী ও পালংখালী এলাকা ঘুরে ও স’ানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, মাছধরার নাম ভাঙিয়ে বা বিভিন্ন অজুহাতে নাফ নদী হয়ে ইয়াবা নিয়ে আসছে রোহিঙ্গা সিন্ডিকেট। গত রোববার রাত ১১টার দিকে সীমানেত্মর নাইড়্গ্যংছড়ির ঘুমধুম বিজিবির সদস্যরা ৩জন রোহিঙ্গাকে আটক করে। এরা হচ্ছে কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পের মো. সেলিম, বালুখালী ক্যাম্পের মো. বাছের (৩৪), একই ক্যাম্পের নুরম্নল আমিন (২০)। বিজিবির সূত্র জানায়, এ তিনজন রোহিঙ্গার দেহতলস্নাশি করে ৩০ লড়্গ মিয়ানমারের টাকা (কিয়াব) উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরম্নদ্ধে বিদেশীয় নাগরিক আইনে মামলা রজু করে নাইড়্গ্যংছড়ি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হচ্ছে।

পালংখালী ই্‌উনিয়নের চেয়াম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, তিনি ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে বিজিবির টহল সুবিধার্থে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির আওতায় ঘুমধুম থেকে থাইংখালী পর্যনত্ম বেড়িবাঁধটি সংস্কার করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে কোনো বরাদ্দ না থাকায় ওই বেড়িবাঁধটির কাজ আর এগোয়নি। তিনি বলেন, বালুখালী থেকে পালংখালী পর্যনত্ম প্রায় ১৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ দিয়ে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান এনে ক্যাম্পে মজুদ করছে। এসব ইয়াবা পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স’ানে ছড়িয়ে পড়ছে। বিক্রি হচ্ছে স’ানীয়ভাবেও। তাই ইয়াবার আগ্রাসন ঠেকাতে মিয়ানমার সীমানেত্মর নাফ নদীর বেড়িবাঁধটিকে সীমানত্ম সড়কে উন্নীত করা হলে বিজিবির সদস্যরা যানবাহনের মাধ্যমে হটল ব্যবস’া জোরদার করে ইয়াবা চোরাচালান বন্ধ ও সীমানত্ম এলাকায় সর্তকতা অবলম্বন করতে পারবে।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার-৩৪ বিজিবি কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ বলেন, বিসত্মীর্ণ সীমানত্ম এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব রড়্গা, চোরাচালন ও ইয়াবা পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সব সময় সর্তক অবস’ানে রয়েছে। তবে টহল দেওয়ার মত পরিবেশ ও পর্যাপ্ত লোকবল সংকটের কারণে প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বিজিবি ইয়াবার আগ্রাসন ঠেকাতে পুরোপুরি সড়্গম হচ্ছে না। তিনি বলেন, বেড়ি বাঁধটিকে সীমানত্ম সড়কে উন্নীত করার জন্য বেশ কয়েকবার প্রসত্মাব রাখা হয়েছিল। তা যদি বাসত্মবায়ন হয় তাহলে চোরাচালান ও ইয়াবা পাচার প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।