ইসরায়েলি বিমান হামলা ইরান ও সিরিয়ার বড় ধরনের ব্যর্থতা: নেতানিয়াহু

সুপ্রভাত বহির্বিশ্ব ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সিরীয় ভূখণ্ডে সবচেয়ে বড় বিমান হামলাকে সিরিয়া ও ইরানের বড় ধরনের ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেছেন। শনিবার সিরিয়ায় ইরানি সেনাদের অন্তত ১২টি ঘাঁটি ও অবস’ানে হামলা চালায় ইসরায়েলের বিমানবাহিনী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে। খবর বাংলাট্রিবিউন। রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেতানিয়াহু জানান, যে কোনও ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইসরায়েল এ ধরনের হামলা অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, শনিবার আমাদের অভিযানের ইরানি ও সিরীয় সেনারা ব্যর্থ হয়েছে। আমরা সবাইকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে পেরেছি যে, আমাদের আক্রমণের নীতি একটুও বদলায়নি। আমাদের ওপর যে কোনও হামলার পাল্টা জবাব দেওয়া আমরা অব্যাহত রাখব। এটাই আমাদের নীতি ছিল এবং থাকবে। গত এক দশকের মধ্যে শনিবারের হামলাটি ছিল সিরিয়ায় ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনায়। এছাড়া ১৯৮২ সালের লেবাননের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পর এই প্রথম ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলো। সিরীয় ভূখণ্ডে অভিযানের সময় সিরিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুলিতে ইসরায়েলের একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। ইসরায়েলও তা স্বীকার করেছে।
সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরুর পর এটাই ছিল দেশটির অভ্যন্তরে ইসরায়েলের প্রথম প্রকাশ্য অভিযান। ইসরায়েল দাবি করেছে, সীমান্তের অভ্যন্তরে দেশটি আটটি সিরীয় ও চারটি ইরানি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। দামেস্ক সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েল হামলায় নিহতদের মধ্যে সিরীয় সেনা রয়েছে।
ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ইরানি ড্রোন উড়ানো ও তা ভূপাতিত করার পর সিরিয়ায় এই হামলা চালায় ইসরায়েল। যদিও ইসরায়েলের আকাশসীমা লঙ্ঘণের অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিরিয়ার সেনাবাহিনী ও দেশটির মিত্র ইরান। সিরিয়া, ইরান, রাশিয়া ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, ড্রোনটি নিয়মিত অভিযানে ছিল এবং ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করছিল।