‘ইডিইউর যৌথশিক্ষা কার্যক্রম জ্ঞান সৃষ্টিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে’

বিজ্ঞপ্তি

ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়া (আইআইইউএম) ও চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউর) যৌথশিক্ষা কার্যক্রম আন্তর্জাতিকভাবে জ্ঞান সৃষ্টিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন তরুণ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকরা।
তাঁরা বলেছেন, পড়-য়ার কোনো সীমারেখা নেই। জ্ঞান অর্জনের নিত্য-নতুন পথ যৌক্তিক চিন্তার বিকাশ ঘটায়। দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথশিক্ষা কার্যক্রম চালু করে উচ্চশিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের বিশ্বে ভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে ইডিইউ।
গতকাল সোমবার দুপুরে নগরীর খুলশীর পূর্ব নাসিরাবাদের স’ায়ী ক্যাম্পাসে আয়োজিত ‘ইডিইউ-আইআইউএম: অভিজ্ঞতায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান, বিবিএর সিনিয়র দুই শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দিন ও ফারজানা আক্তার প্রমি।
কর্তৃপক্ষ জানান, ২০১৫ সালের মে মাসে মালয়েশিয়ার আইআইইউএম ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত একাডেমিক বৈঠকে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে একমত হন দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এই নিয়ে আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইডিইউর দুইজন শিক্ষক পিএইচডি ও দুইজন শিক্ষার্থী পৃথকভাবে উচ্চশিক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যান।
যাঁদের মধ্যে শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান ও শাহ আহমেদ রিপন বর্তমানে পিএইচডি করছেন।
অনুষ্ঠানে সহকারী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গবেষণা কার্যক্রমকে প্রসারিত ও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয় নিয়ে প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান স্যারের যুগোপযোগী উদ্যোগ ও সহায়তা চট্টগ্রামের উচ্চশিক্ষায় অনন্য নজির সৃষ্টি করল।
তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি মালয়েশিয়ার আইআইইউএম-এর সঙ্গে ইডিইউর যৌথ কার্যক্রম জ্ঞানের অনুসন্ধানে ছুটে চলা শিক্ষকদের পিএইচডি অর্জনে বহুদূর নিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর মুহাম্মদ সিকান্দার খান বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জগতে পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে। গতানুগতিক ধ্যানধারণাকে পেছনে ফেলে নতুন আগ্রহ সৃষ্টি করছে উচ্চশিক্ষায়।