আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পূর্ণতা পায় বিজয় একাত্তর

বিজ্ঞপ্তি

১০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিজয় ৭১ এর উদ্যোগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন চত্বরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ উদ্বোধক হিসেবে উপসি’ত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। বিজয়’৭১’র সভাপতি নাট্যজন সজল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘স্বাধীন দেশ গড়ার কাজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ধ্বংসযজ্ঞ থেকে গড়ে তুলেছিলেন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। পরবর্তীতে প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের কূটমহলে তাঁকে হত্যা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিপন্ন করতে চেয়েছিল। কিন’ বাংলার জনগণ তাদের সঠিক পথটি বেছে নিয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশের দায়িত্বভার গ্রহণের পর মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নকে বাসত্মবায়নের লড়্গ্যে একটি উন্নয়নশীল স্বাধীন রাষ্ট্রে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। মুজিব আদর্শের সৈনিকরা দলমত নির্বিশেষে আজ সকলে একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বলীয়ান হয়ে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আজকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে এ হোক আমাদের শপথ।’ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন কাউন্সিলর তারেক সোলাইমান সেলিম, কাউন্সিলর আঞ্জুমান আরা বেগম, মুক্তিযোদ্ধা ভানুরঞ্জন চক্রবর্ত্তী, মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র ঘোষ, সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সভাপতি অ্যাড. নীলু কানিত্ম দাশ নীলমণি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক লায়ন ডা. আর কে রম্নবেল, মুক্তিযোদ্ধা অমর কানিত্ম দত্ত, স.ম জিয়াউর রহমান, বরম্নন কুমার আচার্য বলাই, শিড়্গিকা নীলা বোস, রাজীব চক্রবর্ত্তী, অধ্যড়্গ রতন দাশ গুপ্ত, ডা. মো. আইয়েজ, ডা. বেলাল হোসেন, আদমজী চৌধুরী, ডা. সুভাষ চন্দ্র সেন, বোরহান উদ্দিন গিফারী, ডা. এস কে পাল সুজন, ডা. এস এম কামরম্নজ্জামান, মিলন কানিত্ম দেবনাথ, সুরেশ কানিত্ম দাশ, মোসত্মাফিজুর রহমান মানিক, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল লতিফ প্রমুখ।
মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের ্উদ্যোগে সংগঠনের সভানেত্রী হাসিনা মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে তাঁর চশমা হিলস’ নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর দেশ হানাদার মুক্ত হলেও হাহাকার ছিল বঙ্গবন্ধু কখন মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসবেন।
সভায় চট্টগ্রাম-৯ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, প্রয়াত জননেতা চট্টলবীর এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সনত্মান ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিড়্গা উপমন্ত্রী নিযুক্ত করায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ, থানা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনসমূহ এবং সংসদীয় এলাকার সকল সত্মরের জনসাধারণকে অভিনন্দন জানান।
নারী নেত্রী হোসনে আরা বেগমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুমান আরা চৌধুরী আনজী, সহ সভাপতি বিলকিছ কলিমউলস্নাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর নীলু নাগ, মালেকা চৌধুরী, খুরশিদা বেগম, হাসিনা আক্তার টুনু, লায়লা আক্তার এটলী, হুরে আরা বিউটি, আয়শা আলম চৌধুরী, নাজম মাওলা প্রমুখ।

মহানগর তাঁতী লীগ
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলড়্গে আজ ১০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে স’াপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন চট্টগ্রাম মহানগর তাঁতী লীগের নেতৃবৃন্দ। পরবর্তী এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। চট্টগ্রাম মহানগর তাঁতী লীগের আহবায়ক নুরম্নল আমিন মানিকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন চসিক ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ।
চট্টগ্রাম মহানগর তাঁতী লীগের সদস্য সচিব রত্নাকর দাশ টুনুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সদস্য সৈকত দাশ, মো. সরোয়ার্দী, আজিজুল হক, প্রকৌশলী অমিত ধর প্রমুখ। সভার শুরম্নতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তাঁর শহীদ পরিবারবর্গ এবং সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পূর্ণতা পেয়েছিল।

জহুর আহমদ চৌধুরী ফাউন্ডেশন
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলড়্গে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীস’ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে গতকাল ১০ জানুয়ারী বিকেল ৩টায় ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জহুর আহমদ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা শরফুদ্দীন চৌধুরী রাজু। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপসি’ত শিড়্গক গৌরাঙ্গ প্রসাদ, নুরম্নল ইসলাম সানু, সংগঠক মো. লিপটন, রতন দে, আসিফ ইকবাল, ইন্দ্রজিৎ ভট্টাচার্য, কবি জান্নাতুল ফেরদৌস সোনিয়া, বিজয় শংকর, সংগীতশিল্পী সমীরণ পাল, সৈয়দুল হক, মো. হাসান, সুমন চৌধুরী প্রমুখ। এ সময় সংড়্গিপ্ত বক্তব্যে শরফুদ্দীন চৌধুরী রাজু বলেন- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এদেশকে যেমন স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন অনুরম্নপ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার স্বাধীনতার পরিপূর্ণতা পেয়েছিলো।
বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন
বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন ১০ জানুয়ারি। বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম মহানগর দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মরণ করে সকালে স’ানীয় শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনে স’াপিত বঙ্গবন্ধুর মুর্যালে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে। বিকাল ৩টায় সংগঠনের টেরিবাজারস’ অস’ায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের আহ্বায়ক পিনাকী দাশের সভাপতিত্বে এবং টিংকু বড়-য়ার সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব শওকত ওসমান, সদস্য সচিব খাইরম্নল ইসলাম কক্সি, দেওয়ান মাকসুদ আহমেদ, অধ্যাপক স্বরূপানন্দ রায়, মো: নিজাম উদ্দিন, ইকবাল হোসেন, সুজিত ঘোষ, সেলিম হোসেন, সায়েম উদ্দিন চৌধুরী, গোপাল ঘোষ, আবুল হাশেম প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শক্তিশালী পাকিসত্মানি সেনাবাহিনীর বিরম্নদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ ছিল এক ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জ। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে সেই চরম অধ্যায় পার হয়ে বিজিত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মহান এ নেতার প্রত্যাবর্তনে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিজয় পূর্ণতা পায়।
আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ
গতকাল বেলা ২টায় সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলড়্গে আলোচনা সভা সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের আাহবায়ক ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক মো. রাশেদুল আলম রাশেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতির বক্তব্য শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ নয়মাস পাকিসত্মানী হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। এ দেশে আগমনের পর রেসর্কোস ময়দানে তাঁর ভাষণে তিনি বিধ্বসত্ম বাংলাদেশের মানুষকে আলোর পথে পরিচালিত করার জন্য দিক নির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদান করেন। সভায় বক্তব্য দেন সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি মো. ছুরত জামাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার দাশ, মো. আবদুর রশীদ, সিনিয়র আইনজীবী এম.এ.নাসের চৌধুরী, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সৈয়দ মোক্তার আহাম্মদ, তুষার সিংহ হাজারী, নাজমুল হক, আইয়ুব খান প্রমুখ।

চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্র
চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলড়্গে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাসত্মবায়নে প্রজন্মের দায়িত্ব শীর্ষক এক আলোচনা সভা গত ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় সংগঠনের সভাপতি বাবুল কানিত্ম দাশের সভাপতিত্বে কদম মোবারক উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি’থ ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা, কলামিষ্ট ড. মাসুম চৌধুরী। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে আলোচক হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি আশীষ সেন, চট্টগ্রাম দড়্গিণজেলা কৃষকলীগের সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেম, গীতিকার মো. লিপটন, সংগীতশিল্পী অচিনত্ম্য কুমার দাশ, সাবেক ছাত্রনেতা শাহাদাত নবী খোকা, ফখরম্নল আবেদীন কায়সার, সাংবাদিক প্রশানত্ম বড়ুয়া প্রমুখ।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরিপুর্ণতা এসেছিল। তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধু ছিলেন জগৎবিখ্যাত নেতা, তিনি রাতারাতি নেতা হননি। জনতা হতে নেতা,নেতা হতে জাতীয় নেতা, নেতা হতে জাতির জনকে পরিণত হয়েছে।বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে ভালোবাসতে হলে একাত্তরকে ভালোবাসতে হবে, না হয় বাংলাদেশকে ভালোবাসা যাবে না। এইনেতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন না হলে বাংলাদেশের আত্নমর্যাদা ফিরে আসতে না। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাঙালীর মুক্তির আনন্দ আর গৌরব চির মহিমান্বিত রম্নপ লাভ করেছে।