যান্ত্রিক শহরে এক টুকরো সবুজ

আরেফিন নগরের সানমার গ্রিনপাক

আজিজুল কদির

শহরের ইট-পাথর আর ধুলোবালির মাঝে একখণ্ড সবুজবেষ্টিত স্বপ্নের নাম সানমার গ্রিনপার্ক। নগরীর বায়েজিদ আরেফিন নগরের মহানগর আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা সানমার গ্রিনপার্কটি আন্তর্জাতিকমানের সকল সুযোগ-সুবিধা নিয়ে ১২৮.৩৬ কাঠার ওপর নির্মিত হচ্ছে। ২৬ তলাবিশিষ্ট তিনটি টাওয়ার যেন যান্ত্রিক শহরে এক টুকরো সবুজের স্নিগ্ধতা।
এই আবাসিক প্রকল্প নিয়ে সানমার প্রপার্টিজ লিমিটেড বিক্রয় বিভাগের জ্যেষ্ঠ ম্যানেজার মো. আইয়ুব বলেন, সানমারের অত্যাধুনিক কনডোনিয়াম এপার্টমেন্ট প্রজেক্ট এটি। বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় আবাসিক প্রকল্প সানমার গ্রিনপার্ক।
পাহাড়ের শোভা আর চারপাশের সবুজ পরিবেশের সঙ্গে মিল রেখে নাম রাখা হয়েছে গ্রিনপার্ক। টাওয়ারগুলোর ১০ তলা থেকে অনায়াসে উপভোগ করা যাবে চট্টগ্রাম শহরের নৈসর্গিক সৌন্দর্য। এছাড়া ৮ তলা থেকে চোখের সীমানায় ধরা পড়বে বঙ্গোপসাগরের উত্তাল জলরাশি।
মো. আইয়ুবের কাছে নগরীর অন্য আবাসন প্রকল্প থেকে এটির বৈশিষ্ট্য কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে আছে আকর্ষণীয় ফিচার সমৃদ্ধ কমিউনিটি সুবিধা। আছে মোট ৯টি লিফট, অগ্নিনির্বাপণ-ব্যবস’া, সার্বক্ষণিক জেনারেটর ও সিসিটিভি ক্যামেরা সুবিধা, ব্যাডমিন্টন কোর্ট ও বাস্কেটবল কর্নার। আছে নামাজঘর।
তাদের অন্য প্রকল্প ইয়োলো স্টোন ক্লাব নিয়ে তিনি বলেন, এখানে এলে ভিন্ন ভিন্ন লেভেলের লাউঞ্জের ডিজাইন আপনাকে অভিভূত করবেই। নিজেকে ফিট রাখতে রয়েছে জিম, মিলবে ইন্টারনেট, স্পা, সুইমিংপুলের মতো সুবিধা। সেই সাথে স্পোর্টস গ্রাউন্ডে টেবিল টেনিস এবং পুল খেলার ব্যবস’াও রয়েছে।
কমার্শিয়াল ব্লকের মধ্যে থাকছে গ্রোসারি শপসহ বিউটি সেলুন, মেনস সেলুন, বুকস্টল, ক্যাফেটেরিয়া, লন্ড্রি, এটিএম বুথ, ফার্মেসি এবং ডাক্তার চেম্বার। আবার ফ্ল্যাটে আগ্রহীদের প্রয়োজন ও সামর্থ্যের কথা বিবেচনা করে সানমার কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্পের তিনটি টাওয়ারের প্রতিটি ফ্লোরে ভিন্ন ভিন্ন সাইজে ছয়টি ইউনিটকে সাজিয়েছেন।
যেমন টাইপ এ-২০২৫ বর্গফুট, বি-১৩৪৫ বর্গফুট, সি-১৩৪০ বর্গফুট, ডি-১০৪০ বর্গফুট, ই-১০৪৫ বর্গফুট, এফ-১৫৮০ বর্গফুট এবং জি-১৫৭৫ বর্গফুট। কাজের অগ্রগতির মধ্যে দেখা গেল তিনটি টাওয়ারের মধ্যে দুটির কাজ চলমান। বাকিটার কাজ শীঘ্রই শুরু হবে বলে জানান মো. আইয়ুব।
ভবনের সামনে দিয়ে রয়েছে ১৮০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা, যা ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের সামনে দিয়ে শহরের সঙ্গে মিলবে। ফলে এক সময় এটিই হবে শহরের প্রধান গেট। নির্মিতব্য এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের স’ায়ী ক্যাম্পাসের পাশেই এ প্রকল্প। আগ্রহীরা প্রকল্প ঘুরতে গেলে দেখতে পাবেন অ্যাপার্টমেন্টের মতো করেই হুবহু তৈরি করা আছে একটা ডামি মডেলর্।