আরতি দত্তের ‘যে অতীত ভোলা যায় না’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

বিজ্ঞপ্তি

বাতিঘর প্রকাশিত কমরেড আরতি দত্তের আত্মজীবনী ‘যে অতীত ভোলা যায় না’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টায় নগরীর জামালখান প্রেস ক্লাব ভবনস’ গ্রন’বিপণি বাতিঘরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপসি’ত ছিলেন শহীদ জায়া বেগম মুশতারী শফী, নারীনেত্রী নূরজাহান খান, কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, সাংবাদিক সুভাষ দে, অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী, অধ্যাপক গোলাম মুসত্মাফা।
বাতিঘরের স্বত্বাধিকারী দীপঙ্কর দাশের সঞ্চালনায় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে প্রকাশনা অনুষ্ঠানের সূচনা করেন কমরেড আরতি দত্তের কন্যা দীপা সেন।
তিনি তাঁর মায়ের জীবৎকালে বইটি প্রকাশ করতে না পারার আড়্গেপ সত্ত্বেও বইটি শেষ পর্যনত্ম প্রকাশিত হওয়ায় তার তৃপ্তির কথা জানান।
সভাপতির বক্তব্যে শহীদ জায়া মুশতারী শফী ওম্যান অ্যাসোসিয়েশন অব পাকিসত্মান থেকে বেরিয়ে এসে ‘বান্ধবী সঙ্ঘ’ গড়ে তোলার স্মৃতিচারণের পাশাপাশি তাতে আরতি দত্ত কিভাবে সংযুক্ত হলেন তার বর্ণনা দেন।
কবি আবুল মোমেন তার বক্তব্যে ষাটের দশকে চট্টগ্রাম কলেজে বামপন’ী ছাত্রসংগঠনগুলোর সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের উজ্জ্বল অধ্যায়ের উলেস্নখ করে বর্তমান সময়ের তরম্নণদের কমিটমেন্ট ও বর্তমান রাজনৈতিক আপোসকামিতা নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন।
সাংবাদিক সুভাষ দে তাঁর লিখিত বক্তব্যে তৎকালীন সময়ের কমিউনিস্ট আন্দোলনের পূর্বাপর আলোচনার মাধ্যমে সেই আন্দোলনে কমরেড আরতি দত্ত ও তাঁর স্বামী সুধাংশু বিমল দত্তের গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উলেস্নখ করেন।
ভারতীয় কমিউনিস্ট আন্দোলনের ইতিহাস ও বিভক্তির নানান প্রসঙ্গ উলেস্নখ করে অধ্যাপক গোলাম মুসত্মাফা বলেন ‘যে অতীত ভোলা যায় না’ নৈর্ব্যক্তিক সময় ও ইতিহাসের এক নির্মোহ বয়ান।
নারীনেত্রী নূরজাহান খান কমরেড আরতি দত্তের সাথে তারপর পরিচয়ের প্রেড়্গাপট বর্ণনা করতে গিয়ে একজন রাজনৈতিক কর্মীকে বিবাহ করার সূত্রে নিজে কি করে কমিউনিস্ট আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন তার স্মৃতিচারণ করেন।
অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী তার বক্তব্যে দত্ত পরিবারের সাথে তার দীর্ঘ সম্পর্কের পূর্বাপর তুলে ধরে কাছ থেকে দেখা আরতি দত্তের সংগ্রামমুখর জীবনের কথা বলেন।
সকল বক্তাই বইটি পাঠে চট্টগ্রামে বিপস্নবী তৎপরতার একটি সত্যনিষ্ঠ চিত্র প্রাপ্তির কথা উলেস্নখ করেন। ডা. দীপংকর দের সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে প্রকাশনা অনুষ্ঠান শেষ হয়।