আরও ৯ রপ্তানি পণ্যে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সুপ্রভাত ডেস্ক

সরকার বর্তমানে ২৭টি পণ্য রপ্তানি খাতে বিভিন্ন হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে বলে জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘এবার আরও ৯টি পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পণ্যগুলো হলো হিমায়িত সফটসেল কাঁকড়া, ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য ও ওষুধের কাঁচামাল, সিরামিক দ্রব্য, গালভানাইজড সিট বা কয়েলস, ফটোভলটাইক মডুল, রেজার ও রেজার ব্রেডস, ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, কস্টিক সোডা ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড।’ বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামীতে দেশের রপ্তানিকারকরা পণ্য রপ্তানিতে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন। রপ্তানির এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালে দেশের মোট রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশের রপ্তানির সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছর ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, রপ্তানি হয়েছে ৩০ দশমিক ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এবছর তৈরি পোশাক রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২১ সালে এর পরিমাণ দাঁড়াবে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তৈরি পোশাক নতুন বাজারে রপ্তানিতে আগে ৩ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হতো। এখন আরও একভাগ বাড়িয়ে ৪ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, আগামীতে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ১০ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হবে।’

সভায় আরও উপসি’ত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু, এফবিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএ-এর প্রেসিডেন্ট মো. সিদ্দিকুর রহমান, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য প্রমুখ।