আমদানি নীতিতে পরিবর্তন চায় মেট্রোপলিটন চেম্বার

বিজ্ঞপ্তি

বিদ্যমান আমদানি নীতি পরিবর্তন করে ফ্রি অব কস্ট ভিত্তিক রপ্তানি উপকরণ আমদানির অবাধ সুযোগ চায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিএমসিসিআই)। বর্তমান নীতিমালা অনুসারে আগের বছরের ৪ মাসের রপ্তানির সমপরিমাণ উপকরণ আমদানি করা যায়।
ফ্রি অব কস্ট ভিত্তিক রপ্তানি উপকরণ আমদানির সুযোগ বাড়াতে গতকাল মঙ্গলবার সিএমসিসিআই বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছে।
সিএমসিসিআই এর প্রেরিত চিঠি থেকে জানা যায়, বাংলাদেশি পণ্যের বিদেশি ক্রেতারা, বিশেষ করে তৈরি পোশাকের ক্রেতারা ঋণপত্রের খরচ কমানোর লক্ষ্যে ফ্রি অব কস্ট ভিত্তিক রপ্তানি উপকরণ পাঠিয়ে তৈরি পোশাক ইত্যাদি নিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে তারা প্রতিটি পোশাকের ৫ বা ১০ সেন্ট খরচ সাশ্রয় করতে পারে।
বিদ্যমান আমদানি নীতির অনুচ্ছেদ ২৪ এর উপ অনুচ্ছেদ ১৮ অনুসারে বিনামূল্যে যে কোনো রপ্তানিকারকের বিগত বছরের রপ্তানির ৪ মাসের পরিমাণ রপ্তানি উপকরণ আনার সুযোগ দেয়া আছে। কিন’ এ ৪ মাসের প্রাপ্যতা/ রিভলবিং প্রাপ্যতা নির্ধারণে কাস্টম কর্তৃপক্ষ নানা জটিলতা সৃষ্টি করছে। এই জটিলতায় সমপ্রতি উপকরণের চালান ছাড়ে ১৫ দিন থেকে ১ মাসের বেশি সময়ক্ষেপন হচ্ছে। এ কারণে যার ফলে অনেক ক্রেতা দেশ থেকে চলে যাচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে রপ্তানি। অন্যদিকে চালানের বন্দর মাশুল এবং বিলম্বে উপকরণ প্রাপ্তিতে বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে প্রচুর আর্থিক ক্ষতি, এমনকি ফ্যাক্টরি বন্ধ হওয়ারও উপক্রম হচ্ছে।
বর্তমানে দেশের রপ্তানির প্রায় ১৫ ভাগ (ঋঙঈ) ভিত্তিক উপকরণ দিয়ে রপ্তানি হয়। কিন’ কাস্টমস বিভাগের সৃষ্ট জটিলতায় এ ধরনের
রপ্তানি আর বাড়ছে না। বরং এ ধরনের ক্রেতারা অন্য দেশে চলে যাচ্ছে। এমন অবস’ায় ৪ মাসের প্রাপ্যতার পরিবর্তে যে কোনো পরিমাণ উপকরণ আমদানির সুযোগ দেওয়া হলে রপ্তানি আয় অনেক বাড়বে বলে মনে করছে সিএমসিসিআই। তাই এই চেম্বার আমদানি নীতি ২০১৫-১৮ এর উপচ্ছেদ ২৪ এর উপ অনুচ্ছেদ ১৮ প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানিয়েছে।