শহরের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময়কালে মেয়র

আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার এই চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চসিক সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম শহরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের গ্রুপ কমান্ডার, ডেপুটি কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধাদের এক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বিএলএফ ট্রেনিং ক্যাম্পের প্রশিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা ফাহিম উদ্দিন আহমেদ মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাগুলোর স্মৃতি স্থাপনা নির্মাণের লক্ষে ১১টি প্রস্তাবনা সিটি মেয়রের কাছে উপস্থাপন করেন। প্রস্তাবনায় চট্টগ্রামে জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ, ফয়’স লেক বধ্যভূমি সিটি করপোরেশনের আওতায় সংরক্ষণ করা, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের সামনে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ, ঈদগাহ কাঁচা রাস্তার মাথায় তৎকালীন বিডিআর শহীদদের স্মৃতিসৌধ সংরক্ষণ, দক্ষিণ কাট্টলী নাথপাড়ায় বধ্যভূমি সংরক্ষণ, সোয়াত জাহাজ থেকে গুলিবর্ষণ করে মানুষ হত্যার স্থানটি নির্ধারণ করে স্মৃতি সংরক্ষণ করা, শহীদ স্বপন চৌধুরীর ভাস্কর্য স্থাপন, শহীদ রফিক সড়কে ভাস্কর্য স্থাপন, ১৯৬০ এর দশকের নেতৃবৃন্দ ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামে রাস্তা ও গলির নামকরণসহ চট্টগ্রামের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের দাবিগুলো উপস্থাপন করেন।
সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন মুক্তিযোদ্ধাদের সকল দাবি যুক্তিযুক্ত বলে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার এ চট্টগ্রাম। এখান থেকে ৬ দফার ঘোষণা, বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
মতবিনিময় সভায় মুক্তিযোদ্ধা মো. হারিছ, দেওয়ান মাকসুদ আহমদ, খলিল উল্লাহ সর্দার, মো. আবদুল গফুর, নৌ-কমান্ডার মো. আনোয়ার মিয়া, আবদুল নুর, আবদুল মাবুদ, মো. মঞ্জু মিয়া, সিদ্দিক আহমদ চৌধুরী, আবদুল মান্নান চৌধুরী, জাহিদ আহমদ, মো. জয়নাল আবদীন, মুকুল দাশ, মো. মঞ্জু মিয়া, আবু তাহের, আবদুল লতিফ উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি