‘আনোয়ারায় ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস’ান হবে’

সংবাদদাতা, আনোয়ারা

দক্ষিণ চট্টগ্রামের আানোয়ারা উপজেলার বাস্তবায়নাধীন চায়না ইকোনমিক জোনের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ।
গতকাল পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনীতি বিকাশে সারাদেশে ১০০টি ইকোনমিক জোন স’াপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চায়না ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন এদের মধ্যে অন্যতম। এই জোন বাস্তবায়ন হলে কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড় শিল্পনগরী হওয়ার দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে। এখানে চীনা সরকার শতভাগ বিনিয়োগ করবে। ৫০ হাজারেরও অধিক লোকের কর্মসংস’ান হবে।

তিনি আরো বলেন, জোনের সার্বিককার্যক্রমে প্রত্যেক বিভাগের সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। কোনো প্রকার সমন্বয়হীনতা যাতে না হয় সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তবেই ঘোষিত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম শেষ করা যাবে। এসময় উপসি’ত ছিলেন বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটির (বেজা) চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মুমিনুর রশিদ, আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গৌতম বাড়ৈ, আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ। পরে অতিথিকে চীনা প্রতিনিধিরা প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রকল্পের কার্যক্রমের অগ্রগতিতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গৌতম বাড়ৈ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক গতকাল চায়না ইকোনমিক জোনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

আনোয়ারায় বাস্তবায়নাধীন চায়না ইকোনমিক জোনটি দেশের প্রথম জি টু জি (বাংলাদেশ ও চায়না সরকারের) অর্থনৈতিক অঞ্চল। ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর চীনা প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরের সময় এটির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। ৭৭৪ একর পাহাড়ি ভূমিতে স’াপন করা হবে এই জোন। এখানে চীনা সরকারের শতভাগ বিনিয়োগ থাকবে। বাংলাদেশ সরকারের ৩০ শতাংশ ও চীনা সরকারের ৭০ শতাংশ অংশীদারিত্বের এই জোনে কর্মসংস’ান হবে প্রায় ৫০ হাজার লোকের।