আনোয়ারার বিভিন্নস্থানে অবাধে বালু উত্তোলন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আনোয়ারা

আনোয়ারার শঙ্খ নদের বিভিন্নস্থান থেকে ড্রেজার দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন চলছে। বালু উত্তোলনকালে গত শনি ও রবিবার স্থানীয়দের প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে বালু ব্যবসায়ীরা।স্থানীয় লোকজন প্রশাসনে খবর দিলে পালিয়ে যায় বালু ব্যবসায়ীরা। সরকারি দলের অনেকে এসব বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করায় বেকায়দায় আছে প্রশাসনও। তবে স্থানীয়রা বিভিন্নস্থানে বাধা সৃষ্টি করায় এখন এলাকায় তোলপাড় চলছে। যেকোন মুহুর্তে স্থানীয়দের সাথে ব্যবসায়ীদের ঘটনা ও ঘটতে পারে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার শঙ্খ নদের ভরাচর, জুঁইদন্ডীর লামার বাজার, রায়পুরের পূর্ব গহিরা, বারখাইনের ফেরিঘাট ও হাইলধরের ইছাখালী থেকে দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন অনেকে।
এসব ব্যবসায় অনেক প্রভাবশালীর নাম থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। তবে পুরো উপজেলায় নদী ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়রা প্রতিবাদী হয়ে উঠেছেন। সর্বশেষ গত শনিবার বিকেলে বরুমচড়া ইউনিয়নের ভরাচর গ্রামের নদীর তীর ঘেঁষে ড্রেজার দিয়ে বালুু তোলার সময় বাধা পান জুঁইদন্ডী ইউনিয়নের খুরুস্কুল গ্রামের মো. মনজুর নামের একজন ব্যবসায়ী। এলাকাবাসী ওই সময় ড্রেজার আটকে প্রশাসনে খবর দেয়।
তবে পুলিশ যাওয়ার আগে সটকে পড়েন চালক ও শ্রমিকেরা। একইভাবে গত রোববার বিকেলেও আবদুল গফুর আব্বাসের আরো একটি ড্রেজার বালু তুলতে বাঁধার সম্মুখীন হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় বালু শ্রমিকেরা।স্থানীয়রা জানান, শঙ্খ নদ থেকে অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জানা যায়,বালু ব্যবসায় অনেকে সরকার দলীয় হওয়ায় প্রতিবাদ করতে ভয় পান অনেকে।
তবে এখন স্থানীয়রা নড়েচড়ে বসেছেন এ ব্যবসা বন্ধ করতে। ফলে যেকোন সময় ওইসব কথিত নেতারা লাঞ্চিত হতে পারেন বলে মনে করেন অনেকে।আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (নও) গৌতম বাড়ৈ জানান, বালু ব্যবসা যেই করুক বন্ধ করা হবে, চালানো হবে মোবাইলকোর্ট।