আধিপত্য বিস্তারের জের আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে ধাওয়া, গুলিবর্ষণ

নিজস্ব প্রতিনিধি, চন্দনাইশ

আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে গতকাল দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গুলিবর্ষণ ও মোটর সাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, গতকাল বুধবার আড়াইটার দিকে নয়ন নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী তার মোটর সাইকেলযোগে উপজেলার গাছবাড়িয়া খানহাটস’ পোস্ট অফিসের সামনে এলে গত ৮ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি গ্রুপ অতর্কিত তার উপর হামলা চালায়। নয়ন পালিয়ে যাওয়ার সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে পেছন থেকে গুলিবর্ষণ করলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। পরে হামলাকারীরা নয়নের মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করে পুকুরে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে এ ঘটনার জের ধরে নয়নের অনুসারীরা ঘটনাস’লে আসলে উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে চন্দনাইশ থানার এসআই মোহাম্মদ ফারুক ঁ ২য় পৃষ্ঠার ১ম কলাম
ও এসআই অনু মং এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস’লে উপসি’ত হয়ে পরিসি’তি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস’লে অবস’ান করলেও এলাকার পরিসি’তি থমথমে। নয়ন উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু আহমদ জুনুর অনুসারী বলে জানা গেছে। চন্দনাইশ থানার পুলিশ ভাঙচুরকৃত মোটর সাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা গত ৮ ফেব্রুয়ারি উপজেলার গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট এলাকায় অবস’ান নেয়। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীরের অনুসারী মো. ইউনুচের উপর হামলা চালালে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে চন্দনাইশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ নিয়ে এলাকায় দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে আসছিল।
এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন ভুইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, পরিসি’তি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।