আজ মুখোমুখি পর্তুগাল-স্পেন জয়ে শুরম্ন করতে চায় দুই জায়ান্ট

দেবজ্যোতি চক্রবর্তী

হঠাৎ কোচ বদলের প্রভাব স্পেন দলে কতটুকু পড়েছে, নাকি এখনো চাঙ্গা আছে তাদের মনোবল? সেটা আজ মাঠেই বোঝা যাবে পর্তুগালের বিপড়্গে। সোচিতে রাত ১২টায় মুখোমুখি হবে দুই জায়ান্ট। বিশ্বকাপ শুরম্নর দ্বিতীয় দিন একটা হাই ভোল্টেজ ম্যাচের দেখা পাচ্ছে ভক্তরা। আর এই ম্যাচের ফলাফলই গ্রম্নপসেরার নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়াতে পারে।
শক্তির বিচারে স্পেনকে এগিয়ে রাখতে হবে। ২০১০ আসরের চ্যাম্পিয়ন দলটি সেবার যেমন ঝলকানি দেখিয়েছিল মাঠে, তেমনটিই এবারের আসরেও দেখাবে বলে আশা করছেন সবাই। ইসকো ও কসত্মার দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। আর মাঝমাঠের খেলোয়াড় অভিজ্ঞ ইনিয়েসত্মাকে যদি রম্নখতে না পারে তাহলে বিশ্বকাপের ময়দানে স্পেনের কাছ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো পরাজয়ের স্বাদ নিতে হবে। গোলরড়্গক ডি গিয়াকে আগলে রাখার দায়িত্বে থাকবেন পিকে-বুসটেকস-আলবা। স্পেনের সবচেয়ে বড় দিক হচ্ছে তাদের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বেশি। আর সেটিই হয়তো শুরম্নটা ভালো করতে কাজে লাগবে।
পর্তুগালের শক্তির বিচার করতে হলে রোনালদোর কথাই আসবে সবার আগে। ড়্গিপ্রতা, ড্রিবলিং ও ড়্গুরধার আক্রমণে তার সুনামের কথা সবার জানা। গত বিশ্বকাপের মতো এখন
আর রোনালদো নির্ভর নয় পর্তুগাল। তার হাতকে শক্ত করতে আরেক তরম্নণ প্রতিভা সিলভা রয়েছে আক্রমণে। তাই নিজেদের দিনে প্রতিপড়্গকে শেষ করতে এই দুজনই যথেষ্ট। তবুও আলাদাভাবে রোনালদোর কাছে একটা প্রত্যাশা রয়েছে পর্তুগিজদের। জয়ের স্বপ্নও তাকে ঘিরে রচিত হয় তাদের।
রড়্গণভাগে অভিজ্ঞ পেপের সঙ্গে থাকবেন আলভেস। তবে মাঝমাঠে তাদের সতর্ক থাকতে হবে। এখান থেকে আক্রমণের পরিকল্পনা করতে যদি অসতর্ক হয় তাহলে ম্যাচ হাত ফসকে যাবে।
মুখোমুখি
এর আগে ৩৫ বার মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। যার ১৬টিতে জিতেছে স্পেন আর ৬টিতে পর্তুগাল। বাকি ১৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
বিশ্বকাপে এটি তাদের দ্বিতীয় সাড়্গাত। প্রথমটিতে ২০১০ সালে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচটিতে স্পেন জিতেছিল।
বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান
স্পেন এখনো পর্যনত্ম ৫৯ ম্যাচ খেলেছে বিশ্বকাপে। জিতেছে ২৯টি, হেরেছে ১৮টি ও ড্র হয়েছে ১২টি ম্যাচ।
পর্তুগাল বিশ্বকাপে খেলেছে ২৬টি ম্যাচ। যার ১৩টি জিতেছে, ৯টি হেরেছে ও ৪টি ড্র হয়েছে।