চবি কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণে বাণী অর্চনা

অশুভ শক্তি নিধন করে সুন্দরকে ধারণ করতে হবে

বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির উদ্যোগে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় বাণী অর্চনা চবি কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে গতকাল সকালে মন্দির প্রাঙ্গণে পূজা অর্চনা ও প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বেলা ১১ টায় চবি কেন্দ্রীয় বাণী অর্চনা সংসদ ২০১৯ এর সভাপতি প্রফেসর সুকান্ত ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, চবি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শংকর লাল সাহা, এ এফ রহমান হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. গণেশ চন্দ্র রায়, চবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. অলক পাল এবং চবি প্রক্টর প্রফেসর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্য রাখেন অদুল-অনিতা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অদুল কান্তি চৌধুরী। উপ-উপাচার্য বলেন, দেবী সরস্বতী জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও আলোর দিশারী। ভক্তগণ দেবীকে শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রদান এবং আশীর্বাদ গ্রহণের জন্য দেবী মায়ের কৃপা দৃষ্টি কামনা করে থাকেন। তিনি শিক্ষার্থীসহ সকলকে দেবী সরস্বতীর আশীর্বাদ গ্রহণের মাধ্যমে অশুভ শক্তিকে নিধন করে সত্য-সুন্দর-কল্যাণকে ধারণ করে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে নিজেদের জীবনকে আলোকিত করার আহ্বান জানান।
চবি মার্কেটিং বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. সজীব কুমার ঘোষের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মীয় আলোচকের বক্তব্য রাখেন শঙ্কর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চবি কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. তাপসী ঘোষ রায়।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চবি সংস্কৃত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কুশল বরণ চক্রবর্তী, ঢাকা রমনা কালী মন্দির-এর উপদেষ্টা মিলন শর্মা এবং পার্থ প্রতীম দাশ।
অনুষ্ঠানে চবি সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র, চবি’র শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এলাকাবাসীরা উপসি’ত ছিলেন। পরে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।