অভিযানের মুখে ডিজিটাল পদ্ধতির আশ্রয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা!

সুপ্রভাত ডেস্ক

সারাদেশে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হওয়ায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়েছে বা আত্মগোপনে রয়েছে বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। তবে স’ানীয়দের দাবি- মাদক ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ এখনও ছদ্মবেশে ব্যবসা করছে। কেউ ব্যবসার ধরন পাল্টেছে। কেউবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছে। আবার কোথাও প্রোডাকশন হাউজের আড়ালে চলছে মাদকের রমরমা কারবার। অভিযানের মুখে ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসার পুরনো ভোল পাল্টে ফেলেছে। তবে অভিযানের কারণে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক দ্রব্যের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে বলে জানা গেছে। খবর বাংলাট্রিবিউনের।
অভিযানের মুখে অনেক মাদক ব্যবসায়ী নতুন কৌশলে ব্যবসা করছে। তারা ডিজিটাল পদ্ধতির আশ্রয় নিয়ে ব্যবসা করছে। ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী মোবাইলে কিছু ‘কোড’ (সাংকেতিক ভাষা) ব্যবহারের মাধ্যমে দর-দাম ঠিক করে মাদক সরবরাহ করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে শুধু পুরুষই নয়, নারীরাও জড়িত। কোথাও সমস্যা হলে নারীদের দিয়ে বড় বড় চালানগুলো পাচার করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর সঙ্গে কথা বলে
জানা গেছে, ছোটখাটো মাদক ব্যবসায়ীরা মাঝে মধ্যে র্যাব, ডিবি ও পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা বরাবরই রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই মাদক ব্যবসায়ীরা যখন যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে, তখন তাদের শেল্টারে থেকে ব্যবসা চালিয়ে যায়।
প্রসঙ্গত মাদকবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত ৫৫ জন ‘মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত হয়েছে বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। তবে নিহতদের অনেকে আগে মাদকের খুচরা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও সমপ্রতি তারা ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে তাদের স্বজনরা।
আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে সারাদেশে মাদক ব্যবসার চিত্র নিয়ে এ প্রতিবেদনটি করা হলো।
যশোর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মাদকবিরোধী অভিযানের কারণে যশোরে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের অনেকেই গাঢাকা দিয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। তবে স’ানীয়রা বলছেন, ছদ্মবেশে অনেকেই এলাকাতেই অবস’ান করছে। শহরের শংকরপুর, চাঁচড়া, রায়পাড়া, বারান্দিপাড়া, বেজপাড়া, পুরাতন কসবা প্রভৃতি এলাকায় বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীরা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুরাতন কসবা এলাকার এক বাসিন্দা জানান, কাজীপাড়া, লিচুবাগান, টালিখোলা এলাকায় যেসব মাদক বিক্রেতা রয়েছে, তাদের নিয়ন্ত্রণ করেন ক্ষমতাসীন দলের এক নেতা। মূলত তার লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ রয়েছে এ খাতে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় বিনা বাধায় এ ব্যবসা করে যাচ্ছেন তিনি।
স’ানীয় একটি সূত্র জানায়, যশোরে দুই-তিনজন এমন লোক আছেন, যারা বৈধ ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা আর ফেনসিডিলের ব্যবসা করেন। অভিযান শুরু হওয়ায় তারা এখন ব্যবসা করছেন ডিজিটাল পদ্ধতিতে। ক্রেতার চাহিদা জানতে মোবাইল ফোনে কিছু কোড ব্যবহার করা হয়। সে অনুযায়ী দর-দাম ঠিক কিংবা সরবরাহ করা হয়।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, জেলার ছয় উপজেলার মধ্যে কালীগঞ্জ মাদকের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। এ উপজেলায় প্রায় শতাধিক ছোট-বড় মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে। তারা শহরসহ গ্রামাঞ্চলের প্রায় দেড় শতাধিক স্পটে মাদক ব্যবসার করে। অভিযানে দু’জন নিহত হওয়ার পর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা ভারতে পালিয়েছে। আর খুচরা ব্যবসায়ীরা আত্মগোপনে চলে গেছে। এছাড়া, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের শেল্টারে মাদক ব্যবসা করা বেশ কয়েকজন শহর থেকে উধাও হয়ে গেছে।
কালীগঞ্জে শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী থাকলেও সেটা স্বীকার করতে নারাজ থানার ওসি মিজানুর রহমান খান। তিনি বলেন, ‘তাদের তালিকায় ১৬ জন মাদক ব্যবসায়ী আছে। এরমধ্যে শামীম নামের একজন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। বাকিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ’
খুলনা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, অভিযানের ফলে খুলনার চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা আত্মগোপন করেছে। মাদক বিক্রেতারা নিজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। অসাধু পুলিশ ও রাজনীতিবিদদের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় খুলনায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক অবাধে প্রবেশ করে। র্যাব, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের লাগাতার অভিযান চললেও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা এখনও ধরা পড়েনি।
বাগেরহাট প্রতিনিধি জানিয়েছেন, দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানে জেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা আত্মগোপনে চলে গেছে। গত কয়েক দিনের অভিযানে বাগেরহাটে মাদকের কোনও বড় মাদক ব্যবসায়ী আটক হয়নি। যারা আটক হয়েছে তারা প্রায় সবাই মাদকসেবী। অভিযানের ফলে ইয়াবাসহ অন্য মাদকদ্রব্যের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।
বাগেরহাট শহরের হাড়িখালী পুরাতন রেললাইন, হাড়িখালী পদ্মপুকুর পাড়, সদর হাসপাতাল এলাকা, মাঝিডাঙ্গার প্রগতি রাইসমিল এলাকা, সাবেক ডাঙ্গা, কান্দাপাড়া বটতলা এলাকা, মুনিগঞ্জ মহিলা কলেজ রোড়, হরিনখানা পুরাতন রেল স্টেশন এলাকা, সোনাতলা, পচাদিঘীর পাড়, খারদ্বার, আলিয়া মাদ্রাসা রোড়, সম্মিলনী স্কুল মোড়, পুরাতন বাজার মীরেবাড়ি এলাকা, পুরাতন রেল স্টেশন, কেবি বাজার চালতেতলা, এসব এলাকায় মাদক বিক্রির পয়েন্ট। আর অভিযানের কারণে এর মধ্যে কয়েকটি স্পট গুটিয়ে নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। তবে অতি গোপনে বেশি দামে মিলছে ইয়াবা।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাতাব উদ্দিন বলেন, ‘তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা অনেকেই অভিযানের খবর শুনে পালিয়েছে। বাগেরহাট সদর উপজেলায় সেরকম কোনও বড় মাদক ব্যবসায়ী নেই। তারপরও অভিযান অব্যাহত আছে।’
কুমিল্লা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বন্দুকযুদ্ধে সেখানে এপর্যন্ত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। তবে নিহতদের স্বজনদের দাবি, তারা মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছিলেন।
মাদক ব্যবসার সঙ্গে কারা জড়িত জানতে কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘মাদক ব্যবসার সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ জড়িত রয়েছে। তার মধ্যে পুলিশ, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদরাও জড়িত থাকতে পারে। ওইসব ব্যক্তি মাদক ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত না থাকলেও তারা মাদক ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন কায়দায় সহযোগিতা করে থাকেন।’
যেসব মাদক ব্যবসায়ী বেঁচে আছে, তাদের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা বেঁচে আছে তারাও পুলিশের তালিকায় রয়েছে। তবে কিছু কিছু গডফাদার আত্মগোপনে রয়েছে। তাদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’
রাজশাহী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ভৌগোলিকভাবে রাজশাহী সীমান্তবর্তী জেলা। মাদক ব্যবসায়ীদের অনেকেরই পদ্মা ও মহানন্দা নদীর চরে বাড়ি রয়েছে। আবার নদীর এপারে শহরেও বাড়ি আছে তাদের। এভাবে একেক সময় একেক বাড়িতে থেকে পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালিয়ে যায় তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে রাজশাহীর মাদক ব্যবসায়ীরা। তবু থেমে নেই মাদকের কারবার। মাদক ব্যবসায়ীরা আত্মগোপনে থেকে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
র্যাব-৫ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুবর রহমান বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কৌশল বদলে এখনও মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে। অনেকের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযান শুরুর পর তারা বাড়িতেও থাকছে না। তাদের বেশিরভাগের বিরুদ্ধে মাদক ও চোরাচালানের মামলা রয়েছে।’
অনেকে মাদক ব্যবসার পাশাপাশি নগরীতে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। ২৩ মে কক্সবাজারে শুটিং শেষে ফেরার পথে এক লাখ আট হাজার ইয়াবাসহ ধরা পড়ে রাজশাহীর প্রতিষ্ঠান ‘সরকার প্রোডাকশন হাউজ’।
বগুড়া প্রতিনিধির তথ্য অনুযায়ী, বগুড়া পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ক্রেতা-বিক্রেতারা ধরা পড়লেও রাঘব বোয়ালরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। অভিযোগ আছে, মাদক ব্যবসার যারা মূলহোতা তাদের দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজর দিচ্ছে না। শুধু পত্রিকায় রিপোর্ট হলেই পুলিশ তৎপরতা দেখায়। বড় ব্যবসায়ীরা শুধু মাদক নয়, প্রশাসনকে ফাঁকি দিতে ছোট ব্যবসায়ীকে সিসি ক্যামেরাও সরবরাহ করে থাকে। এসব মাদক ব্যবসায়ীর অনেকেই সমাজে ভদ্রবেশে চলাফেরা করে। ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। প্রশাসনের বড় কর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
শুধু বগুড়া শহরে নয়, মাদক ব্যবসা এখন উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফোন দিলেই হেলমেট পরা মাদক ব্যবসায়ীরা বাইকে মাদক পৌঁছে দিয়ে আসে। আবার ক্রেতারা এসে নিয়ে যায়। কোনও কোনও ব্যবসায়ী কক্সবাজার, হিলি সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় পরিবার নিয়ে ভ্রমণের নামে মাদক নিয়ে আসে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাদক ব্যবসায়ী জানায়, গ্রেফতার হলে তাদের বেশি দিন কারাগারে থাকতে হয় না। অনেকের ব্যক্তিগত আইনজীবী আছেন, যারা দ্রুত সময়ে জামিন করিয়ে দেয়। এছাড়া তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অসাধু কর্মকর্তাদের মাসোহারা দিয়েও ব্যবসা করে। পত্রিকায় লেখালেখির পর অভিযান শুরুর আগেই ওইসব অসাধু কর্মকর্তা তাদের সতর্ক করে থাকেন। ফলে তারা খুব সহজে আত্মগোপন করতে পারে। পরিসি’তি স্বাভাবিক হলেই আবার মাঠে নামে তারা ।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী জানান, তাদের অভিযানে বড় বড় ব্যবসায়ীরাও ধরা পড়ছে।
হিলি প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় হিলিতে মাদকের সহজলভ্যতা বেশি। এ এলাকার বাড়িতে বাড়িতে মাদকের রমরমা ব্যবসা চলছে। হিলি সীমান্তে সিসি ক্যামেরা স’াপনের কারণে চোরাচালানের জিরা, শাড়িসহ অন্যান্য পণ্য আটক করা হলেও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বা তাদের ম্যানেজ করে সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার অব্যাহত রয়েছে।
গোয়েন্দা সংস’ার তথ্যমতে, হিলিতে পাইকারি ও খুচরা মিলে সর্বমোট ৬৫ জনের মতো মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে। যাদের কেউই এ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি। সমপ্রতি মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর কয়েক দিন আগে রাজু নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে র্যাব গ্রেফতার করে এক মাসের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দিয়েছে।
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, অভিযান শুরু হওয়ার পর মাদক ব্যবসায়ীরা আত্মগোপনে চলে গেছে। অনেকে আবার এলাকা ছেড়ে নতুন কৌশলে মাদক ব্যবসা করছে। স’ানীয়রা জানায়, ময়মনসিংহ মহানগরীর অলিগলিসহ উপজেলাগুলোতে রয়েছে অসংখ্য মাদক বেচাবিক্রির স্পট। মাদকবিরোধী অভিযানের কারণে নতুন স্পটে বিক্রি হচ্ছে মাদক।
ময়মনসিংহ মহানগরীর মাদক এলাকা হিসেবে খ্যাত পুরোহিতপাড়া, কৃষ্টপুর, আলিয়া মাদ্রাসা রোড, বলাশপুর, সানকিপাড়া, চামড়াগুদাম, চরপাড়াসহ বিভিন্ন মাদক স্পটে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, এলাকায় মানুষের আনাগোনা একেবারে নেই বললেই চলে। মাদক ব্যবসায়ীরা বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে, আছে শুধু শিশু ও নারীরা।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, ময়মনসিংহে প্রায় সাড়ে ৩০০ মাদক ব্যবসায়ীর নাম তালিকায় রয়েছে। এই তালিকা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিদিন মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।