রেলওয়ের জোড় ডেবা

অবৈধ বস্তিতে দখল হয়ে যাচ্ছে নান্দনিক ডেবা

Untitled-1

চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে ঢাকার দিকে যেতে পাহাড়তলী রেলওয়ে স্টেশনের আগে হাতের বাম পাশে বিশাল এক জলাধার সবারই চোখে পড়ার কথা। মাঝখানে দ্বীপের মতো একটি দীর্ঘ মাটির স্তুপ রয়েছে যা বিশাল এই জলাধারকে দুই ভাগে ভাগ করেছে। দক্ষিণ দিকে দুটি জলাধার একপ্রান্তে মিলিত হওয়ায় তা জোড় ডেবা নামেই পরিচিত। রেলওয়ের মালিকানাধীন এই বিশাল জলাধার দিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ব্রিটিশ আমলে এখান থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপন্ন করতো। এখনো এই জলাধারের সাথে রেলওয়ের পাওয়ার হাউসটি রয়েছে। কিন্তু বিশাল এই জলাধারটি যেখানে হতে পারতো অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র, সেখানে দিন দিন তা বস্তিবাসীদের দখলে চলে যাচ্ছে। জোড় ডেবার দক্ষিণ পাড়ে ডেবার ভেতরের দিকে বাঁশের মাচা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বস্তিঘর। আর ডেবার পাড়জুড়ে অনেক আগেই গড়ে উঠেছে অসংখ্য বস্তি। শুধু দক্ষিণ পাড় নয়, পশ্চিমপাড় জুড়ে পুরোটাই বস্তি। আর ডেবার পাড়ে গড়ে ওঠা বস্তিতে বসবাসকারী হাজারো মানুষ গোসল করাসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলে নষ্ট করছে পানি । এবিষয়ে পূর্বাঞ্চলীয় রেলওয়ের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন, ‘রেলওয়ের মালিকানাধীন রয়েছে বলে এখনো বিশাল জলাধারগুলো অক্ষত রয়েছে। তবে এসব জলাধারকে ব্যবহার করে বিনোদন স্পট করা যায় কিংবা অন্য কোনো প্রকল্পও নেয়া যায়। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতায় এগুলো করা যায় না।’