অনুমোদন নেই তবুও পণ্যে বিএসটিআই মানচিহ্ন!

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সস্টিটিউশন (বিএসটিআই) খাদ্যের মান পরীক্ষা নিরীক্ষা করে খাদ্য পণ্য বিক্রির অনুমোদন দেয়। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানই শুধু পণ্য অথবা প্যাকেটের গায়ে বিএসটিআই এর নিরাপদ মানচিহ্ন (লোগো) ব্যবহার করতে পারে। কিন’ বিএসটিআই এর অনুমোদন নেই অথচ খাদ্য পণ্যে বিএসটিআই এর নিরাপদ মানচিহ্ন ব্যবহার করে খাদ্য পণ্য বিক্রি করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। গতকাল এমন দুটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে র্যা ব-৭ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গতকাল সোমবার সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় র্যা ব। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র্যা ব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান। তাকে সহযোগিতা করেন র্যা ব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমান ও জিশান আহমেদ তালুকদার এবং বিএসটিআই এর কর্মকর্তারা।
অনুমোদন না থাকলেও পণ্যে বিএসটিআই এর নির্ধারিত নিরাপদ মানচিহ্ন ব্যবহার করে বিক্রির অপরাধে গোলপাহাড় মোড়স’ স্বপ্ন সুপার শপের ক্ষিরসা পণ্য আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিএসটিআই অধ্যাদেশ (৩৭) ১৯৮৫ (সংশোধনী ২০০৩) এর ২২, ৩০, ৩১ (এ) ধারা মোতাবেক ম্যানেজার আশিক বেলালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে।
একই অপরাধে হোসেন ফুড অ্যান্ড কোম্পানির ম্যানেজার সরজ পালকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বিএসটিআই এর লাইসেন্স ব্যতিরেকে ডায়মন্ড ব্র্যান্ড বিস্কুট ও মিষ্টি দই (কাপ) উৎপাদন করছিলেন।
অন্যদিকে নোংড়া পরিবেশে লাচ্ছা সেমাই উৎপাদন করার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় আমান ফুড অ্যান্ড কোম্পানির ম্যানেজার মো. রফিক উল্লাহ ও সেলস ম্যানেজার জাফর আহমেদকে।
র্যা ব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আমিরুল্লাহ সুপ্রভাতকে বলেন, ‘অনুমোদন ছাড়া বিএসটিআই এর নিরাপদ মানচিহ্ন (লোগো) ব্যবহার ও নোংড়া পরিবেশে লাচ্ছা সেমাই উৎপাদন করায় তিন প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’