অটোরিকশা চালিয়ে শত যুবক স্বাবলম্বী রাঙ্গুনিয়ায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাঙ্গুনিয়া

সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালিয়ে রাঙ্গুনিয়া-কাপ্তাইয়ে শত-শত যুবক স্বাবলম্বী হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন সড়কে প্রায় দুই হাজার সিএনজি চালিত অটোরিকশার চলাচল করছে। বেকার জীবন থেকে বেরিয়ে শত শত যুবক অটোরিকশা চালিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে সুখে আছে। শিক্ষিত বেকার যুবকসহ অনেক মানুষের কর্মসংস’ানের সুযোগ করে দিয়েছে অটোরিকশা।
ভাড়া কম, পরিবহন সুবিধা, পরিবেশবান্ধব, নিয়ন্ত্রিত গতি এবং চালকদের সদাচরণের কারণে এ বাহনটি স্বল্প সময়ে সর্বস্তরের যাত্রীদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। গাড়ি চালিয়ে পরিবারে অভাব-অনটন ঘুচিয়েছেন চালকরা। কয়েকবছর পূর্বেও কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যাত্রীবাহি বাসের খুবই দাপট ছিল। কালক্রমে লোকাল বাস সার্ভিস বন্ধ করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে বিরতিহীন ও গেটলক নামের বাস সার্ভিস কমিয়ে দেয়া হয়। সিএনজি চালিত অটোরিকশায় দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে পোঁছাতে পারছে বলে এ পরিবহনে যাত্রীরা ঝুঁকে পড়ে। গত ৩/৪ বছরে অটোরিকশার কদর আরও অনেকগুণ বেড়েছে। সময়ের আবর্তে আধুনিকতার ছোঁয়ায় এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়নের সাথে সাথে যানবাহনেরও পরিবর্তন হয়। সাধ্যের মধ্যে ভাড়া থাকায় অটোরিকশা যানবাহনে যাত্রীরা চলাচল করছে। এতে যেমন যাত্রীরা উপকৃত হচ্ছে, তেমনি উপকৃত হচ্ছে এসব পরিবহনের চালক ও মালিকরা। প্রতিদিন রাঙ্গুনিয়া-কাপ্তাই উপজেলা ও তার আশপাশে এলাকার বিভিন্ন গ্রাম হাট ও বাজারে অনায়াসে সিএনজি অটোরিকশা যাতায়াত করে। এতে প্রতিদিন চালকরা সর্বনিম্নে ৮শ থেকে প্রায় ১২শ টাকা আয় করে। মুল আয় থেকে অটোরিকশার মালিককে ৩৫০-৪৫০ টাকা পরিশোধ করা হয়। চন্দ্রঘোনা অটোরিকশা চালক সমবায় সমিতির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মালেক বলেন, অনেক বেকার যুবক অটোরিকশা চালিয়ে আজ স্বাবলম্বী হয়েছে।